• বৃহস্পতিবার ( দুপুর ২:৪৫ )
    • ২রা জুলাই, ২০২০ ইং

চান্দাইকোনায় জেলা আওয়ামিলীগ নেতা হান্নান চেয়ারম্যানকে কুুপিয়ে জখম

আরিফুল ইসলাম, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানার চান্দাইকোনা বাজারে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং চান্দাইকোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নানকে একদল সন্ত্রাসী হত্যার উদ্দেশ্যে   কুপিয়ে জখম করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জননন্দিত নেতা আব্দুল হান্নান।  তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোন ব্যক্তিগত শত্রুর কথা শোনা যায়নি। দীর্ঘ পথ চলায় কোন দ্বন্দ কিংবা কোন গন্ডগোলও শোনা যায়নি। তবুও একদল পেশাদার সন্ত্রাসী ২৮শে জুন,২০২০ইং রবিবার ভোরবেলা তার বাড়ির ভিতর অতর্কিত ঢুকে পড়ে এবং কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই কোঁপানো শুরু করে।  এরপর  মৃত ভেবে ঘাতকরা পালিয়ে যায়। ভিকটিম ও স্থানীয়দের বক্তব্যে জানা যায়, ঘাতকেরা সংখ্যায় তিনজন অথবা চারজন ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জননন্দিত নেতা আব্দুল হান্নান।  তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোন ব্যক্তিগত শত্রুর কথা শোনা যায়নি। দীর্ঘ পথ চলায় কোন দ্বন্দ কিংবা কোন গন্ডগোলও শোনা যায়নি।

মুখে লাল গামছা ও লাল পাঞ্জাবি পরিহিত ছিল।   ঘাতকদের পোশাক বাছাই ও সময় নির্ধারনে বোঝা যায় ঘাতকদল প্রশিক্ষিত ও পূর্ব পরিচিত।   ভিকটিমকে  চিকিৎসার জন্য দ্রুততার সাথে বগুড়ায় নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের আফসোস ও বক্তব্যে বোঝা গেছে ভিকটিম সত্যই ভাল মনের মানুষ।

ক্রাইম ডায়রি // ক্রাইম// জেলা

Total Page Visits: 55423

চট্টগ্রাম মহানগরীর বীর অভি হত্যাকান্ডঃ এলাকাবাসীর মানববন্ধন

বাবুল হোসেন বাবলা, চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ 

অভি হত্যার প্রতিবাদে আগ্রাবাদ এলাকায় সাধারণ মানুষের মানববন্ধন অভি হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে নেমে এসেছে এলাকাবাসী আগ্রাবাদ মিস্ত্রিপাড়া এলাকার বাসিন্দা শহীদ মীর ছাদেক অভি হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। আগ্রাবাদ এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে আজ ২৭ জুন দুপুর ৩টায় নগরীর আগ্রবাদ এলাকায় “ডবলমুরিং থানার সর্বস্তরের জনসাধারণ” এর ব্যানারে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। উক্ত মানববন্ধন থেকে অভি হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় এবং প্রশাসনের ঢিলেঢালা মনোভাবের তীব্র ক্ষোভ জানানো হয়। উক্ত মানববন্ধনে শহীদ মীর ছাদেক অভির শোকাহত মা শিরিন আকতার উপস্থিত হয়ে অবিলম্বে অভি হত্যাকান্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান এবং অভির মাদক বিরোধী সংগ্রাম অব্যাহত রাখার জন্য চট্টগ্রামবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান। উক্ত মানববন্দন থেকে অভি হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে স্লোগান দেয়া হয়।

মাদকবাজরা অভির মতো মাদকবিরোধীদের হারিয়ে দিতে পারেনা। এ সমাজে হাজারো ভাল মানুষের মাঝে অন্যায়কারী এক/দুইজন। এরা যদি হাজারো মানুষের ভীরে অন্যায় করে পার পেয়ে যায় তবে বুঝতে হবে আসলে অন্যায়কারী এই প্রশ্রয়দাতা সবাই। তখন এর দায় কেউ এড়াতে পারবেনা।


উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সামাজিক কর্মকান্ডে অভির সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মাদক বিরোধী তার নানামূখী কর্মকান্ডের কারণে তিনি সর্বমহলে সমাদৃত ছিলেন। তিনি বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। মানুষের প্রতি তার ভালবাসার কারণেই তিনি এলাকাবাসীর অত্যধিক প্রিয় সন্তান ছিলেন। কিন্তু মাদক সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে আমাদের প্রিয় এই সন্তানকে। এই হত্যাকান্ড আমাদের হৃদয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। অভির হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ আমাদের এই ক্ষত শুকাবে না। অভির মৃত্যুর কয়েকদিন পার হয়ে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনরূপ এ্যাকশান না দেখে আমরা খুবই মর্মাহত। অবিলম্বে অভির খুনিদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যাতায় আমরা এলাকাবাসী রাজপথে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।


উক্ত মানববন্ধনে এলাকার বিভিন্ন স্তরের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অভির হত্যাকারীদের গ্রেফতার দাবী করে এ সময় বক্তব্য রাখেন শহীদ অভির মা শিরিন আকতার, ছাত্রনেতা গাজী মো. সিরাজ উল­াহ, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাঈন উদ্দিন আহমেদ রাশেদ, মীর জাহেদ ইলাহী রানা, যুব নেতা মো. সেলিম, বজল আহমদ, মো. আলমগীর, আগ্রাবাদ মোটর পার্টস সমিতির সভাপতি সৈয়দ ওমর ফারুক, বিশিষ্ট শিল্পপতি সাহেদ আলী সারজিল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীর সাদাত, মঈনুল হাসান লেমন, মো. আলম, মুজিবুর রহমান, মীর ও সৈয়দ বাড়ীর সর্দার সেকান্দর মিয়া, ছাত্রনেতা সামিয়াত আমিন জিসান, জাফরুল হাসান রানা, আরিফুর রহমান মিঠু, মাসুদ সিকদার, সৌরভ প্রিয় পাল, এম কে রিয়াদ, মাহমুদুর রহমান বাবু, কাইয়ুম রশিদ বাবু, আরশে আজিম আরিফ, মাঈন উদ্দিন মিনহাজ, ডিএইচ শিশির, মো. হামিদ, এম. ডি সোহেল মাল্টু প্রমুখ।

ক্রাইম ডায়রি/ মহানগর

Total Page Visits: 55423

ঝালকাঠিতে কিস্তি পরিশোধ না করায় খুনের চেষ্টাঃ মামলা দায়ের

ইমাম  বিমান, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ
করোনা মহামারী পরিস্থিতিতেও পিছু ছাড়েনি কিস্তি কোম্পানির লোকজন।  জনসেবার কথা বললেও ব্রিটিশ আমলের সুদে মহাজনদের মত এখনও ঘাড়ে সওয়ার হয়ে কিস্তি প্রদান ও উত্তোলনের ঘটনা বড়ই পীড়াদায়ক।
সরকারের নির্দেশনা থাকলেও ঝালকাঠিতে করোনা সংকটে কিস্তির টাকা না দিতে পারায় প্রকাশ্যে ঋন গ্রহীতাকে মারধর করে হত্যার চেষ্টা অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ঝালকাঠিতে করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যেও থেমে নেই বেসরকারি সমবয় সমিতির আওতাধীন কিস্তির টাকা আদায়। আর এ কিস্তির টাকা দিতে না পারায় মজিবর রহমান(৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে ধরালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা চেষ্টা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে মিলন হাওলাদার(৩৮) ও সুমন মাঝি( ৩৬) নামের দুই এনজি কর্মীর বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার(২৪ জুন) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে শহরের পুরাতন খেয়াঘাটে।
এ বিষয় থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, ঝালকাঠি পৌরসভাধীন আশার আলো কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড কতৃক পৌরসভা খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত মোঃ মজিবর রহমান ঝালকাঠি পূবালী ব্যাংক শাখায় তার ব্যক্তিগত এ্যাকাউন্টে ব্যবহারিত নিজ স্বাক্ষর সম্বলিত একটি চেক জামানত পূর্বক উক্ত সমবায় সমিতি থেকে চল্লিশ হাজার টাকা ঋন গ্রহন করি। উক্ত ঋনের টাকা কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধ করে আসছি, ঋণ গ্রহনের পর থেকে ৯টি কিস্তি পরিশোধ করা হলে দেশে করোনা ভাইরাস ( কোভিড-১৯) প্রাদূর্ভাবের জন্য বাকি কিস্তির টাকা যথাসময়ে পরিশোধ করতে না পারায় উক্ত সমবায় সমিতির পরিচালক মিলন হাওলাদার আমার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে বিভিন্ন সময় কিস্তির টাকা পরিশোধ করার জন্য গালাগাল পূর্বক আমাকে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। গত ২৪জুন সন্ধ্যায় আমার মুঠোফোনে উক্ত সমিতি সদস্য সুমন মাঝি আমাকে পৌর খেয়াঘাট সংলগ্ন রাস্তায় বের হতে বলে। আমি সুমনের কথায় রাস্তায় বের হলে আশার আলো কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির পরিচালক মিলন হাওলাদার কোন কথা না বলে কিস্তির টাকা দে, বলে আমার গলা চেপে আমাকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। আমি কোনমতে আমার গলা থেকে তার হাত সরিয়ে ফেলে চিৎকার করলে তারা দুজনে মিলে আমাকে এলোপাথারী  কিলঘুষি মারতে থাকে। এক পর্যায় মিলন তার প্যান্টের পকেট থেকে চাকু বের করে আমার গলায় পোচ দেয় আমি সরে গেলে সেই পোচ আমার বাম কানের উপর লেগে কাটা যখম হয়। আমাকে মারধর করার ফাঁকে মিলন ও সুমন আমার গলায় থাকা স্বর্নের চেইন, পকেটে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে মজিবরকে খুনের ভয় দেখিয়ে মিলন ও সুমন চলে যায়।
করোনা মহামারী পরিস্থিতিতেও পিছু ছাড়েনি কিস্তি কোম্পানির লোকজন।  জনসেবার কথা বললেও ব্রিটিশ আমলের সুদে মহাজনদের মত এখনও ঘাড়ে সওয়ার হয়ে কিস্তি প্রদান ও উত্তোলনের ঘটনা বড়ই পীড়াদায়ক।
এ বিষয় ভুক্তভোগী মজিবর বলেন, করোনা মহামারীর পূর্বে আমি ঝালকাঠি শহরের সদর চৌমাথা এলাকার আশার আলো কৃষি উন্নয়ন সমবয় সমিতির লিমিটেড থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ উত্তোলন করি। নিয়মিত ভাবে ৯টি কিস্তির টাকাও পরিশোধ করি।কিন্তু এর পর করোনা মহামারী শুরু হলে আর্থিক ভাবে অসহায় হয়ে পড়ি এবং তিন মাস ধরে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হই। ব্যর্থতার জেরধরে অভিযুক্ত মিলন ও সুমন আমাকে প্রতিনিয়তা কিস্তির টাকা পরিশোধের জন্য গালাগাল পূর্বক চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।
এ বিষয় মজিবর রহমানের স্ত্রী জানান, বৃহস্পতিবার মাগরীব নামাজ শেষে আমি তজবী পড়তে ছিলাম হঠাৎ ঘরের বাইরে আমার স্বামীর চিৎকার শুনতে পেয়ে আমি ও আমার ছেলে মেয়ে দৌড়ে গিয়ে দেখি মিলন ও সুমন আমার স্বামীকে মারধর করছে। আমি দৌড়ে গিয়ে আমার স্বামীকে জড়িয়ে ধরে তাদেরকে না মারার জন্য অনুরোধ করলেও তারা মারধর করতে থাকে, আমি বারন করতে গেলে মিলন আমার শরীরেও কিলঘুষি মেরে আঘাত করে।
করোনা মহামারিতে সরকার এনজিও ঋণের কিস্তি পরিশোধ শিথিল করেছে। এমন কি চাপ দিয়ে টাকা আদায় করলে ওই এনজিওর নিবন্ধন বাতিল করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তারপরও মজিবর রহমানের কাছ থেকে জোর করে কিস্তির টাকা আদায় করার চেষ্টা করে মিলন ও সুমন। এ বিষয় অভিযুক্ত মিলনের ফোনে কল করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অপরদিকে সুমনের ফোনে কল দিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি মারধরের কথা অশ্বিকার করে বলেন,  মজিবরের সাথে আমাদের বাকবিতন্ড হয়।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি থানার ওসি খলিলুর রহমান ক্রাইম ডায়রিকে   বলেন, অভিযোগ অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।
ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম //জেলা
Total Page Visits: 55423

ধৈর্য্য ধরল দুই দেশঃ কমান্ডার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

টান টান উত্তেজনা। সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে বিশ্বের সেরা দুই রাষ্ট্রের রশি টানাটানি দেখতে। আবার এটাও অনেকে দেখতে চেয়েছেন কার ধৈর্য্য ও সহিষ্ণুতা বেশি। কারন, সবাই জানে ধৈর্য্যশীলরাই বিজয়ী  । অবশেষে সেই পরিচয় মিলল দুই দেশের আচরনে। চীন-ভারত উত্তেজনা নিরসনে বৈঠক শেষ করেছে দু্‌ই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে,  সেনারা স্ব স্ব দেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সম্মুখ অবস্থান থেকে পরস্পর দূরত্বে অবস্থান করবে। ২৩শে জুন, ২০২০ইং সোমবার দু’দেশের কমান্ডারদের মধ্যে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টার বৈঠকের ফল নিয়ে বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, উত্তেজনা কমাতে দুই পক্ষই রাজি হয়েছে।

টান টান উত্তেজনা। সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে বিশ্বের সেরা দুই রাষ্ট্রের রশি টানাটানি দেখতে। আবার এটাও অনেকে দেখতে চেয়েছেন কার ধৈর্য্য ও সহিষ্ণুতা বেশি। কারন, সবাই জানে ধৈর্য্যশীলরাই বিজয়ী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর  প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত যদি চীনের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধকে সংঘাত বা এমনকি স্থানীয় যুদ্ধে পরিণত করে, তবে এটি পাথরের বিরুদ্ধে ডিম ছোড়ার মতো হবে। তবে, বরাবরের মতই প্রতিজন ভারতীয় অন্ধ বিশ্বাস করে ভারতীয় সেনা আধুনিকায়ন করা হয়েছে। তারা চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মিকে পরাস্ত করতে পারবে এবং ১৯৬২ সালে চীনের কাছে পরাস্ত হওয়ার প্রতিশোধ নিবে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘন হয়েছে দু’দেশেরই। কয়েক দশক ধরে চীন-ভারত সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সম্মুখ গুলি বিনিময়ের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

গ্লোবাল টাইমস বলছে, যদি ভারতীয় সেনারা ভবিষ্যতে চীনা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করে, তবে সীমান্ত এলাকার চিত্র ভিন্ন হবে।

তবে চীন ভারতীয়দের হুশিয়ারি দিয়েছে, যদি ভারতীয় সেনারা অস্ত্রবিহীন সংঘর্ষে চীনা সেনাবাহিনীকে পরাজিত করতে না পারে, তাহলে গোলা এবং অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র আপনাদের সাহায্য করতে পারবে না। এর কারণ, চীনের সামরিক শক্তি ভারতের চেয়ে অনেক উন্নত এবং শক্তিশালী বলে দাবী করা হয়। আগের চীনা অর্থনীতি আর আজকের দেশটির অর্থনীতি এক নয়। চীনের জিডিপি ভারতের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। এ ছাড়া চীনের সামরিক ব্যয় ভারতে চেয়ে তিনগুণ বেশি ।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 55423

নকল মাস্ক তৈরি চক্র সি আই ডি’র জালে আটক

বিশেষ প্রতিনিধ, ঢাকা মহানগরঃ

একের পর এক সাফল্য দেখিয়ে নিজেদের অবস্থানকে বরাবরই শক্তিশালী করে রেখেছে সিআইডি পুলিশ।  এ যেন সিরিয়াল ক্রাইম ফিকশান মুভির সিআইডি’র মতো। যেখানেই অভিযান সেখানেই অভাবনীয় সাফল্য। করোনা মহামারীর মধ্যেও মৃত্যু যখন সুনিশ্চিত তখনও আর্থিক লাভবান হবার আশায় ” জীবন মৃত্যুর ”      পণ্য দিয়ে মানুষ ঠকানো বড্ড অমানবিক নয় কি??

এরকমই একটা অপরাধ করছিল একদল প্রতারক।করোনা প্রতিরোধী মাস্কের কথা বলে তারা নকল মাস্ক তৈরি করে সারাদেশে সরবরাহ করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডি’র সিরিয়াস ক্রাইম বিভাগের  একটি বিশেষ টিম পুরোনো ঢাকার ওয়ারী থানাধীন নারিন্দা ভূতের গলিতে অভিযান চালায়। এ সময় ঐ এলাকা হতে নকল মাস্ক ও মাস্ক তৈরীর উপকরণ সহ ০৫ (পাঁচ) জনকে গ্রেফতার করেছে।

করোনা মহামারীর মধ্যেও মৃত্যু যখন সুনিশ্চিত তখনও আর্থিক লাভবান হবার আশায় ” জীবন মৃত্যুর ”      পণ্য দিয়ে মানুষ ঠকানো বড্ড অমানবিক নয় কি??

সি আই ডি সূত্রে জানা গেছে, সানরাইজ ব্যাগ কোম্পানী নামে একটি চক্র করোনা প্যানডেমিক ছড়িয়ে পড়ার পরে নকল মাস্ক তৈরি করেআসছে মর্মে সিআইডি সূত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়। উক্ত অভিযানে প্রায় ১৪০,০০০ (এক লক্ষ চল্লিশ হাজার) পিস নকল মাস্ক যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৪০,০০০ x ১৫=২১,০০,০০০/- (একুশ লক্ষ টাকা) এবং প্রায় ১০০০কেজি নকল মাস্ক তৈরির ফেব্রিক্স জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০০০ x ২৫০=২,৫০,০০০/- (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সি আই ডিসূত্রে জানা গেছে, কোম্পানির মালিকগ  খালিদ ইমরান (৪০), ২। এমডি রেহান ইউসুব ৩। মোঃ আব্দুল সোবহান (২০), ৪। জিতু চন্দ্র দাস (৩৬), ৫। মোঃ ওসমান গণী (২৭) গং দের ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে।    জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানিয়েছে, তারা  অনেক দিন ধরে ঠিকাদারের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন দপ্তর/প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের নকল মাস্ক সরবরাহ করে আসছে। যা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিশ্চিত করেছে সি আই ডি।

সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রাজীব ফরহান এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত অভিযানে সিআইডির ৮ সদস্যের একটি টিম অংশ গ্রহণ করে। এ ধরনের অবৈধ মাস্ক তৈরির কারখানা ও সংশ্লিষ্ট
ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সি আই ডি সূত্রেজানা গেছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম// অপরাধ জগত

Total Page Visits: 55423

রাজশাহীতে প্রকাশ্যে তেত্রিশ লাখ টাকা কেড়ে নিল ওরা

রাজশাহী মহানগর সংবাদদাতাঃ

শান্ত শহর হিসেবে পরিচিত রাজশাহী মহানগরীতে প্রকাশ্য দিনের বেলার ফিল্মি ষ্টাইলে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। সরেজমিন ও প্রশাসন সুত্রে  জানা যায়,    ১৮ই জুন, ২০২০ ইং বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে নগরীর অলোকার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।  ভিভো মোবাইল ফোনের শো-রুম ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত টাকা ব্যাংকে জমা করার জন্য নেয়ার পথে এই নাটকীয় ঘটনাটি ঘটে। সরেজমিন তদন্ত এবং ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঘটনাটি পরিকল্পিত ও সাজানো বলে জানায় পুলিশ।

তাদের দুই কর্মী দুপুরে দুটি ব্যাগে করে মোট ৩৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকা নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার জন্য শোরুম থেকে বের হন। রাস্তায় মোটরসাইকেলে দুই যুবক এসে একজনের কাছে থাকা একটি ব্যাগ নিয়ে চলে যায়।

এদিকে এই ঘটনার বিষয়ে অলোকার মোড়ের ভিভো মোবাইল ফোন শোরুমের মালিক রঞ্জন রায় ক্রাইম ডায়রিকে বলেন,   তারা কয়েকজন ব্যবসায়ী শোরুমটি চালান। নতুন কিছু ফোন নেয়ার জন্য টাকাগুলো ভিভোর ব্যাংক হিসাবে জমা দেয়ার কথা ছিল।

তাদের দুই কর্মী দুপুরে দুটি ব্যাগে করে মোট ৩৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকা নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার জন্য শোরুম থেকে বের হন। রাস্তায় মোটরসাইকেলে দুই যুবক এসে একজনের কাছে থাকা একটি ব্যাগ নিয়ে চলে যায়।

তিনি আরও জানান, মোটরসাইকেলটি সাহেববাজারের দিক থেকে এসেছিল। মোটরসাইকেলের পেছনে বসা যুবক ৩৩ লাখ টাকা থাকা ব্যাগটি কেড়ে নেয়। এরপরই মোটরসাইকেলটি নিউমার্কেট হয়ে রেলগেটের দিকে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ বিষয়ে মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মণ ক্রাইম ডায়রিকে   জানান, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেছেন। যেভাবে টাকা নেয়া হয়েছে তাতে ঘটনাটি তাদের কাছে পরিকল্পিত এবং সাজানো বলে মনে হচ্ছে। তারপরও তারা তদন্ত করছেন। বেশি টাকা বহনের ক্ষেত্রে পুলিশি সহযোগীতা নেয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন,   এ বিষয় নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ক্রাইম ডায়রি// অপরাধ//মহানগর

Total Page Visits: 55423

অস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী টাইগার হাবিব সি আইডি’র হাতে গ্রেফতার

কালিমুল্লাহ দেওয়ান রাজা,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

 

অস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিব ওরফে টাইগার হাবিবকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। সি আইডি সুত্রে জানা গেছে, ১৫ই জুন , ২০২০ ইং রাতে সিআইডি ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) এর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের তালিকাভুক্ত অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিব ওরফে টাইগার হাবিব(৫০)কে ঢাকার কোতোয়ালী থানাধীন বাবুবাজার ব্রীজের উপর হতে একটি বিদেশী পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলি সহ গ্রেফতার করে।

সে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার ইসলামপুর, পাটুয়াটুলী, বাদামতলী এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনা সহ ছিনতাই, চাঁদাবাজী ও জমি দখল করে আসছে। তার বাড়ি ঢাকার  কোতয়ালী থানার নবাব বাড়ি, পুকুরপাড়।

সি আইডি গ্রেফতারকৃতকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে, সে কন্ট্রাক কিলিংসহ হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ছিল। তার নামে বর্তমানে ২টি অস্ত্র মামলা সহ ৩ টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অনেক দিন ধরে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছিল। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডি ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়। এই বিষয়ে অস্ত্র আইনে সিআইডি বাদী হয়ে নতুন আরেকটি মামলা রুজু করেছে।
ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আইনশৃঙ্খলা

Total Page Visits: 55423

নোয়াখালিতে ধর্ষক বন্দুকযুদ্ধে নিহতঃ জনতার উল্লাস

নোয়াখালি ব্যুরোঃ

ধর্ষন একটি কঠিন শব্দ। ভিকটিম, তার ফ্যামিলি এমনকি প্রতিবেশিরাও জানেন এর ভয়াবহতা কতটুকু। একদম নিচু শ্রেনীর পিচাশ ছাড়া এহেন কাজ কেউ করতে পারেনা। একটা মর্মাহত হওয়ার মত বাক্য উচ্চারন করি। সেটা হলো- যেখানে ৫০/১০০ টাকা হলে দেহাপসারিনী পাওয়া যায় সেখানে জীবনের ঝুুঁকি নিয়ে একটি তরতাজা জীবনকে নষ্ট করা এমনকি পরিশেষে নিজেকে শেষ করে দেয়া যাদের ধাতে আছে  তাদের আসলে বেঁচে থেকে সমাজকে কলুষিত করার কোন অধিকারই নেই। আর হ্যা, এটা যদি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হিসেবে  ইসলামের রেফারেন্স নিতে চান তবে ইসলামে ধর্ষনের শাস্তি আরও কঠিন। যার পরিণতি মৃত্যুই। সম্প্রতি , নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক আসামি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মিজানুর রহমান (৪০)। ১৪ই জুন,২০২০ইং রোববার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজার এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্রে, ধর্ষককে গ্রেফতার ও ধর্ষনের শাস্তির ব্যাপারে এলাকাবাসীর উল্লাস চোখে পড়ার মত। সন্তষ্ট ধর্ষিতার পরিবারও।

নোয়াখালির সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  আবদুল বাতেন মৃধা ক্রাইম ডায়রিকে জানান, , ১৩ই জুন, শনিবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী সোনাইমুড়ী এলাকার একটি বেকারির কর্মচারী এক কিশোরী (১৪) কর্মস্থল থেকে বের হয়ে গ্রামের বাড়ি কবিরহাট উপজেলায় যাচ্ছিল। পথে সোনাইমুড়ী এলাকার মিজানুর রহমান ওই কিশোরীকে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় তোলেন। এরপর তাকে জোর করে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকায় নিয়ে অপর এক সহযোগীসহ রাতভর ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই কিশোরী বাদি হয়ে গতকাল সেনবাগ থানায় একটি মামলা করে। মামলায় মিজানুর রহমান ও তাঁর অপর এক সহযোগীকে আসামি করা হয়।

 

ধর্ষন একটি কঠিন শব্দ। ভিকটিম, তার ফ্যামিলি এমনকি প্রতিবেশিরাও জানেন এর ভয়াবহতা কতটুকু। একদম নিচু শ্রেনীর পিচাশ ছাড়া এহেন কাজ কেউ করতে পারেনা। একটা মর্মাহত হওয়ার মত বাক্য উচ্চারন করি। সেটা হলো- যেখানে ৫০/১০০ টাকা হলে দেহাপসারিনী পাওয়া যায় সেখানে জীবনের ঝুুঁকি নিয়ে একটি তরতাজা জীবনকে নষ্ট করা এমনকি পরিশেষে নিজেকে শেষ করে দেয়া যাদের ধাতে আছে  তাদের আসলে বেঁচে থেকে সমাজকে কলুষিত করার কোন অধিকারই নেই। আর হ্যা, এটা যদি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হিসেবে  ইসলামের রেফারেন্স নিতে চান তবে ইসলামে ধর্ষনের শাস্তি আরও কঠিন। যার পরিণতি মৃত্যুই।

রোববার সন্ধ্যায় ছাতারপাইয়া এলাকা থেকে ধর্ষনের প্রধান অভিযুক্ত মিজানকে গ্রেপ্তার করে সেনবাগ থানার পুলিশের একটি চৌকস দল। এরপর রাত দুইটার দিকে তাঁকে নিয়ে তাঁর অপর সহযোগীকে গ্রেপ্তারের জন্য ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজারে গেলে মিজানের সহযোগীরা পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি করে। কিছুক্ষণ পর গোলাগুলি বন্ধ হলে ঘটনাস্থল থেকে মিজানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এসময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে অপর আসামীদেরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত আছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা

Total Page Visits: 55423

আমি ওভাবে বলিনি, যা বলেছি…..ড.মীজানুর রহমান

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

কোন কোন দেশে ভালোর কদর নেই।। হক কথা বললে মামু বেজার। মাঝে মাঝে মামুদের জোয়ার  আসে।  ভালো বললে মন্দটুকু কাটিং করে প্রচার করবে। আগের এবং পরেরটুকু আর বলবে না।  এরা প্রেক্ষাপটে যাবেনা। পরিস্থিতি বুঝবে না। বসেই আছে, কখন কে মুখ ফসকে কি বলে ফেলে সেই আশায়। সেটা যদি বাস্তবতার নিরিখে হয় কিংবা হক  হয় তাতে কিছু যায় আসেনা। কথা সত্য; তালগাছ আমার। মাঝে মধ্যেই একটি মহল কিছু  বলতেই সেটা নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে।। এদের জাল হতে মুক্তি নেই; এমনকি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরও। যে বিবেচনাতেই নিয়োগ হোক অযোগ্য লোক কিন্তু ভিসি নিয়োগ হয়না।

কয়েকদিন হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে নিয়ে; তার একটি বক্তব্যকে ঘিরে নানামুখী বিতর্ক চলছে। দক্ষতা সম্পন্ন একজন মানুষ ড.মীজানুর রহমান। তিনি একজন  বিবেচনা সম্পন্ন নাগরিক। তিনি কালোকে কালো এবং সাদাকে সাদা বলতে পারবেন না,তাতো হয়না!

[facebook/The Crime Diary ] “কোন কোন দেশে ভালোর কদর নেই।। হক কথা বললে মামু বেজার। মাঝে মাঝে মামুদের জোয়ার  আসে।  ভালো বললে মন্দটুকু কাটিং করে প্রচার করবে। আগের এবং পরেরটুকু আর বলবে না।  এরা প্রেক্ষাপটে যাবেনা। পরিস্থিতি বুঝবে না। বসেই আছে, কখন কে মুখ ফসকে কি বলে ফেলে সেই আশায়। সেটা যদি বাস্তবতার নিরিখে হয় কিংবা হক  হয় তাতে কিছু যায় আসেনা। কথা সত্য; তালগাছ আমার।”

ছাত্রদের মেসভাড়া নিয়ে তিনি অনেক কথা বলেছেন। আমরা জানি দায়িত্বশীল অবস্থান হতে  কোন কথা বলতে নিলে সেই কথার   প্রেক্ষাপট বা শানে নুজুল থাকে, কথার কথা থাকে, উদাহরন থাকে, প্রসঙ্গে দু’একটা অযাতিত কথাও হয়।  সেই কথা গুলোর মধ্যে কাটিং করে যতটুকুতে ঘায়েল করা যায় অতটুকু প্রচার অমানবিকও বটে। পিতা তার সন্তানকে গালি দেয়ার সময় কেমন কথা বলে সবারই জানা। সেগুলো ধরলে পিতার অবস্থান কোথায় যায়??

 

এ বিষয়ে মিডিয়ার কাছে মুখ খুলেছেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কারিগর এবং বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ নিয়ে সুদীর্ঘ সময়ের বিশ্লেষণধর্মী আলোচক ড.মীজানুর রহমান। পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো—-

[[ “কথাগুলো-ওভাবে-বলিনি-জবি-উপাচার্য

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার কথা নিয়ে যেভাবে সমালোচনা হচ্ছে, আসলে তিনি কথাগুলো ‘ওভাবে’ বলেননি। কথাগুলোর পূর্বাপর কিছু উল্লেখ না করে কেবল খন্ডিত অংশ তুলে ধরায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। যা প্রচার করা হচ্ছে এটা আমার কোনো বক্তব্য নয়। ব্যক্তিগত আলোচনা। আমি কথাগুলো ওভাবে বলিনি। কাউকে আঘাত করার জন্য বলিনি। প্রসঙ্গক্রমে বলেছি।’যখন তারা (ছাত্ররা) বলছে ১৬ হাজার ছাত্র টিউশনি করে চলে। বাড়িতে টাকা পাঠায়। তাই তাদের দুই হাজার টাকা করে মোট ২৯ কোটি টাকা মেস ভাড়ার জন্য বরাদ্দ দিতে হবে। এটা কি বাস্তব কোনো দাবি? যারা মেসে থাকেন তারা কি সবাই গরিব? তখন আমি বলেছি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই কি গরিব? এখানে কি কেবল গরিবদের ভর্তি করা হয়েছে? আমরা কি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছি এখানে গরিব-অসহায়দের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে? এখানে সবাই মেধার ভিত্তিতে ভর্তি হয়েছে। অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন ছাত্ররা ভর্তি হয়, এখানেও তেমন।’যখন আমরা নানামুখী সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, আমাদের অনেক ছাত্র আক্রান্ত, তাদের ফোন করে করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করাতে হচ্ছে। কয়েকজন শিক্ষক বাসায় বসে অক্সিজেন নিচ্ছেন। তাদেরও ভর্তি নিয়ে চিন্তা করতে হচ্ছে। তখন সারাক্ষণই তারা গণমাধ্যমের কাছে মেস ভাড়ার দাবিতে কথা বলছে।’ তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও দরিদ্র শিক্ষার্থী আসে, বুয়েটেও আসে। এখন যদি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে গরিব এটা যদি তুলে ধরা হয় তাহলে ছাত্রদের অবস্থান কোথায় থাকে?’  বিশ্ববিদ্যালয়কে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, এটা গরিবদের বিশ্ববিদ্যালয়, এই বিষয়টি ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। কারণ এটা মেধাবীদের বিশ্ববিদ্যালয়। মেধার ভিত্তিতে এখানে ছাত্র ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীরা আসে, এখানে আসে। আমাদের ক্লাসের ৮০ থেকে ৯০ জন ছাত্র থাকলে ২০ জন হয়তো দরিদ্র পরিবারের হতে পারে। আর ১০ জন হয়তো খুবই নিঃস্ব। বাকিরা তো আমরা ভালো আছি। তাহলে সবার মেস ভাড়া বরাদ্দের তো কোনো কারণ নেই। মেস ভাড়া যাদের সামর্থ্য আছে তারা দিবে। এখন তো মেসভাড়া কেউ চাচ্ছেও না। এখন তো মেসেও কেউ নেই। অনেকেই তো বাড়িতে চলে গেছেন। তারা যখন আসবেন তখন এটা নিয়ে সুরাহা করা যাবে। দেখা যাবে কী করা যায়।’

যারা টিউশনি করে মেস ভাড়া দিয়ে থাকত, তাদের নিয়ে তো সমস্যাটা আরও গভীর হবে। এখন তো মেস ভাড়া দিতে পারছে না, তখন তো খাওয়ারও টাকা থাকবে না। তাদের টিউশনি তো থাকবে না। সেটা নিয়ে আমাদের সবাইকে চিন্তা করতে হবে। আমরা সবাই গরিব তা তো না। আমরা যদি সারাক্ষণ বলি আমরা খুব দরিদ্র-গরিব, সবাই মেসে থাকি, তাহলে তো আমাদের নিজেদেরই আত্মমর্যাদা নষ্ট হবে। এটা বলেছিলাম কথা প্রসঙ্গক্রমে।  শিক্ষার্থীদের বললাম, আমাদের শিক্ষার্থীদের তো অনেকভাবেই আমরা সহযোগিতা করছি। উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত যেখানে যে সমস্যায় পড়ছে তাকেই সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি। ইউএনওকে ফোন করে, চেয়ারম্যানকে ফোন করে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছানোর কাজ করছি। বিকাশের মাধ্যমে নগদ টাকা পৌঁছানোর কাজও চলছে। আমাদের প্রচুর ছাত্র আছে অনেক দরিদ্র। এদের তালিকাও আমাদের কাছে আছে। কারণ আমাদের জাকাত ফান্ড আছে। দরিদ্রদের সাহায্য-সহযোগিতা করার বিভিন্ন টিম আছে। সেই হিসাবেই আমাদের ধারণা আছে ৩৬০-৩৬৫ জনের মতো ছাত্র একেবারেই নিঃস্ব। যাদের টিউশনির টাকায় চলতে হয়। তারা এ থেকে বাড়িতেও টাকা পাঠায়।’

তাছাড়া বড় চিন্তার বিষয় হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় যখন খুলবে এই ছাত্ররা যখন ফিরে আসবে তখন তো টিউশনি অনেকের থাকবে না। স্বাভাবিকভাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কারণে অনেক ছাত্রের টিউশনিও থাকবে না। কারণ কেউ তো ঝুঁকি নিয়ে প্রাইভেট শিক্ষক রাখবে না। ঘরে যেতে দিবে না এই পরিস্থিতিতে। এই ছাত্ররা কীভাবে তাদের জীবন-জীবিকা চালাবে? এটা হচ্ছে আমাদের চিন্তার বিষয়। তাদের অনেকেই দ্বিতীয় বর্ষ, তৃতীয় বর্ষে পড়ছে। আমাদের সবাইকে মিলেই এটি মোকাবিলা করতে হবে। সরকারের থেকে যদি সহযোগিতা পাওয়া যায় তাহলে ভালো। যারা ধনী আছে, আমাদের ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে, তারাও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে। একদিনের বেতনও দিয়ে রাখছে শিক্ষকরা।’

ছাত্রদের যারা মেসে থাকে সবাই গরিব না; একেক মেসে পাঁচজন, সাতজন, দশজন করে দরিদ্র ছাত্র আছে। তাকে সবাই মিলে সহযোগিতা করলে আমি মনে করি এই সমস্যার উত্তরণ ঘটবে। আমরা সবাই মেস ভাড়া দিতে পারছি না, সবাই গরিব-এটা যদি আমরা মানুষের কাছে প্রকাশ করি তার মানে কী? আমি এটা বলেছি, আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির বিজ্ঞপ্তিতে তো বলি নাই যে দরিদ্র এবং অসহায়দের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এরকম কি বলেছি? আমরা তো ছাত্র ভর্তি করেছি মেধার ভিত্তিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ক্যাটাগরি বা ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ডের ছাত্ররা ভর্তি হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাও তো একই যোগ্যতা, একই ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ডের।’

 

আমাদের অনেক ছাত্র মোটরসাইকেল চালিয়ে ক্যাম্পাসে আসে। তাদের তো মেস ভাড়া নিয়ে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এটাই আমি বলেছি। আমাদের এখানে মোট ছাত্র ধরা যাক ১৮ হাজার। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র হচ্ছে ৪০ হাজার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব মিলিয়ে ডাবলিং, গণরুম মিলিয়ে ২০ হাজার ছাত্র থাকে। বাকি ২০ হাজার ছাত্র কোথাও থাকে, মেসেই তো থাকে। আমাদের যে পরিমাণ ছাত্র মেসে থাকে আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যত ছাত্র মেসে থাকে সংখ্যাটা ধরলাম সমান। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ কি মেস ভাড়া নিয়ে এসব কথাবার্তা বলছে? আমি সেটাই বলছি, আমরা যদি এটাই নিয়ে ব্যস্ত থাকি, তাহলে কী করে হয়?’

তেমনি, এই সমস্যা তো কেবল তো আমাদের সমস্যা নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যে পরিমাণ ছাত্র-ছাত্রী ট্রেনে করে ক্যাম্পাসে আসে, তাদেরও সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান হয় রাষ্ট্রকে করতে হবে, অথবা আমাদের মধ্যে যারা সামর্থ্যবান আছে প্রত্যেক ক্লাসে প্রচুর ছাত্র আছে, যারা একজন দশজনকে দেখতে পারবে, তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। এটাই বলেছিলাম যে আমরা তো সবাই গরিব না।”]]

সবাই মিলে সংকট মোকাবিলা করতে হবে উল্লেখ করে ড. মীজানুর রহমান বলেন, ‘সরকার তো সহযোগিতা করছে, আমাদের যাদের সামর্থ্য আছে, তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে নিয়ে নেগেটিভ মন্তব্য করা যায় যখন তার অবস্থান সুস্পষ্ট দুর্নীতির পক্ষে। কিন্তু তিনি যখন   হক কথা বলেন সেটাকে কাটছাট করে ভাইরাল করলে পুরো জাতী লজ্জিত হয়। বিষয়টি ভবিষ্যতের স্বার্থে সবাইকে ভেবে দেখা উচিত নয় কি???

ক্রাইম ডায়রি//  জাতীয়

 

Total Page Visits: 55423

মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক

মহানগর সংবাদদাতাঃঃ

মৃত্যুর মিছিল থেমে নেই। তবুও বেড়েছে মানুষের দাম্ভিকতা।  ড্যামকেয়ার ভাব নিয়ে চলা লোক গুলো পুরো দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে করোনা বিস্তার করে চলেছে।  ইতোমধ্যে মৃত্যুর মিছিলে যোগ হয়েছেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ফখরুল কবির । ৯ জুন,২০২০ইং রাত আড়াইটায় পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মঙ্গলবার সকালে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মো. ফখরুল কবির ১ জুন করোনায় আক্রান্ত হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে সোমবার তাকে স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার স্ত্রীও করোনা পজিটিভ এবং তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচের সদস্য ও যুগ্মসচিব মো. ফখরুল কবিরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ও সচিব কাজী রওশন আক্তার।

ক্রাইম ডায়রি//খবর-বিজ্ঞপ্তির

Total Page Visits: 55423