• রবিবার ( রাত ৩:২০ )
    • ৭ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

রাজধানীর উত্তরায় অ্যাপারেল এক্সিকিউটিভ ক্লাবের লোগো উম্মোচিত

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃঃ

রাজধানীর উত্তরায়  বাংলাদেশের  গার্মেন্টস সেক্টরের ক্রিটিকাল মেধাবীদের নিয়ে  গঠিত সংগঠন অ্যাপারেল এক্সিকিউটিভ ক্লাব এর লোগো উম্মোচন করা হয়েছে।। উত্তরার প্যান ডি এশিয়া রেস্টুরেন্টে   একটি আনন্দঘন পরিবেশে AEC exclusive Evening অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লোগো উম্মোচন করেন ক্লাব সভাপতি এম জে ফেরদৌস।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও উদ্দোক্তা এ টি এম কিরন মোর্শেদের সঞ্চালনায় ক্লাবের সদস্যদের পরিচিতির পর ক্লাবের কার্যক্রম, সদস্য হবার নিয়মাবলী ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ধারা বর্ননার মাধ্যমে বিস্তারিত অবহিত করেন ক্লাবের সাধারন সম্পাদক কিরন মোর্শেদ।

তিনি বলেন, ক্লাবের মূল ভিশন ও মিশনের অন্যতম হচ্ছে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশ কে ব্রান্ডিং করা।।   এরপর সঙ্গিত সন্ধ্যাও ডিনারের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি টেলিভিশন/// বানিজ্য

Total Page Visits: 23305

বগুড়ার শেরপুরে ইয়াবার বিকল্প হিসেবে নতুন মাদকের আবির্ভাব

শাহাদত হোসেন, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ

বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন মাদকের বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স এবং পাশাপাশি       বগুড়ার শেরপুরের পুলিশ প্রশাসন যখন মাদক নির্মূলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ঠিক তখন কড়া নজরদারিতে ইয়াবা, গাঁজা, হিরোইন, ফেন্সিডিল সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সরবরাহ কম হওয়ায় মাদকসেবীরা আসক্ত হচ্ছে লোপেন্টা নামক বিকল্প নেশায়। আর লোপেন্টা ৫০/৭৫ বর্তমান মাদক সেবকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

বর্তমান সকল মাদকের দাম হাতের নাগালের বাহিরে যাওয়ায় হিরোইন, ইয়াবা, গাঁজা, ফেন্সিডিল সহ অনেক মাদকের বিকল্প হিসেবে মাদকসেবীরা সেবন করে যাচ্ছে লোপেন্টা। সেবন করার নিয়মটা ইয়াবা ও হিরোইনের মতই।
এদিকে আবার ফেন্সিডিলের পরিবর্তে ব্যবহার করছে বিভিন্ন ঔষধের দ্বারা তৈরি মিক্সার। আর এই মিক্সার তৈরি করা হয় কাঁশির সিরাপ, ভিটামিন ট্যাবলেট, সিভিট, ঘুমের ঔষধ ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট দিয়ে। এসব ঔষধ মাদক হিসেবে চাহিদা বেশি হওয়ায় উপজেলার শহর ও গ্রামের কিছু অসৎ, অতি মুনাফালোভী ড্রাগ ফার্মেসী ব্যবসায়ী ট্যাপেন্ডাডোল হাইড্রোক্লোরাইড গ্রুপের লোপেন্টা ও পেন্টাডোল শ্রেণীর ট্যাবলেটগুলো ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই বিক্রি করে যাচ্ছে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে। এদিকে আবার সুকৌশলে মাদকসেবীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে লাভবান হচ্ছেন ফার্মেসী মালিকেরা। যা মানব শরীরের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।


একাধিক মাদকসেবী তাদের নাম না বলার শর্তে বলেন, লোপেন্টা ট্যাবলেট এর নেশা ইয়াবার মতই। এছাড়া তারা অতি কষ্ট হলেও কখনো কখনো দূর-দূরান্ত থেকে দু’একটি ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে লোপেন্টা দিয়ে বাকি নেশা চালিয়ে থাকে। লোপেন্টা সেবন করলে মুখ শুকিয়ে আঁঠালো হয়, মাথা ঝিম ধরে এমনটি মাদকসেবীদের বিবরণে উঠে আসে।
লোপেন্টা জাতীয় ঔষধ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার মোছাঃ নাজমিন আক্তার (এমবিবিএস, বিসিএস স্বাস্থ্য) এর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, লোপেন্টা একটি প্যাথলজিন। যা আমরা রোগীর অবস্থার উপর ভিত্তি করে প্রয়োগ করি। আর এটি একমাত্র শুধু ব্যাথার জন্যই ব্যবহার করা হয়।

আর যদি কেউ প্রয়োজনের চেয়েও অতি মাত্রায় সেবন করে থাকে, তাহলে কিডনী সহ শরীরের বিভিন্ন রকম সমস্যা হতে পারে।
এ বিষয়ে আরও জানার জন্য বগুড়া সিভিল সার্জন এর সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি জানান, লোপেন্টা বর্তমান সময়ে যে হারে মাদকসেবীরা সেবন করছে এতে করে অপরাধ প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধ সরবরাহ করা নিষিদ্ধ। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক ফার্মেসী ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ঔষধ দিয়ে থাকেন। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে সামাজিক প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি সহ প্রশাসনের নজরদারি জরুরী দরকার।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///জেলা

Total Page Visits: 23305

ঘুষের একলাখ টাকাসহ সিভিল অ্যাভিয়েশনের এক কর্মকর্তাকে হাতেনাতে আটক করেছে দুদক

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

একটি অন্যরকম সামাজিক ব্যাধি হলো ঘুষ। ঘুষ নেই এমন সেক্টর খুঁজে পাওয়া দুঃস্কর।আগে তো বাঁজিয়ে ঘুষ নিত। এখন তো এমন বলতে শোনা যায় কাজ করি কিছু তো দিবেনই। আবার বলে,  ভাই আমি ঘুষ খাইনা। খুশি হয়ে যা দেন। আর খুশি হয়ে যদি না দেয়া হয়, তখন নানা ধরনের নিয়মের ফেরকায় পড়তে হয়।। সে নিয়ম হতে উত্তোরন পেতে পারেনা কোন মানুষ। সুতরাং,  শতভাগ ঘুষ বন্ধ হবে এ গ্যারান্টি কে দিতে পারে? তবুও আশা জাগানিয়া দুদক। এই একমাত্র দুদকের কারনেই ঘুষের রেট কমেছে, প্রকোপও কমেছে।  সেই একইরকম ভাবে ঘুষ গ্রহনকারীর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ফাঁদ নাটকে পড়ে  ঘুষের এক লাখ টাকাসহ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিভিল এভিয়েশন) এক কর্মকর্তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ৬ই ডিসেম্বর,২০১৯ইং,  শুক্রবার সকালে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুদক সুত্রে জানা গেছে, সিভিল এভিয়েশনের জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর ও কনসালট্যান্ট এইচ এম রাশেদ সরকারকে ঘুষের এক লাখ টাকাসহ উত্তরার বিএফসি রেস্টুরেন্ট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লাইসেন্স যাচাই পূর্বক বাণিজ্যিক পাইলট পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য এই ঘুষ নেন তিনি।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল এই ফাঁদ মামলা পরিচালনা করে । এ ঘটনায় সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১–এ মামলা হবে বলে জানিয়েছে দুদক ।

ক্রাইম ডায়রি//দুদক///ক্রাইম//আদালত

Total Page Visits: 23305

অঙ্গদল আর নেতাঃ সবদলেরই উচিত সতর্ক হওয়া

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

চারিদিকে নেতার ছড়াছড়ি।।। কর্মী বাহিনী খুঁজে পাওয়া মুশকিল।।।কি সরকারি কিংবা কি বিরোধী দল,চারিদিকে শুধু নেতা।। মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদেরের একটি উক্তি মনে পড়ল।।তিনি যথার্থই বলেছিলেন, বাংলাদেশ এখন নেতা বানানোর কারখানায় পরিনত হয়েছে। আর দল,,,, জাতীয় প্রেসক্লাবে রাত্রিকালীন আড্ডায় কাকে যেন বলতে শুনলাম একদল ছাগলপালক সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা জাতীয় ছাগল চাষী লীগ নামের একটি দল খোলার চেষ্টা করছে, যা হবে কেন্দ্রীয় দলের অঙ্গসংগঠন। ইতোমধ্যে অসংখ্য ইস্যুভিত্তিক অঙ্গসংগঠনের জন্ম হয়েছে।।মূলদলে ঠাঁই না পেয়ে বিভিন্ন দলের মুনাফিকদের সমন্বয়ে খোলা হচ্ছে এসব অঙ্গ দল।।।তথ্য প্রযুক্তি লীগের বরাতে জানা গেছে এমন নাম না জানা কিংবা জানা দলের ভীরে মূল দলের অনেককে বিভিন্ন জায়গায় বেইজ্জতি হতে হয়।এসব অঙ্গদলে কেউ কর্মী হতে চায়না।।সবাই নেতা।।। এ যেন আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা বা অনলাইনে দুদিন কাজ করেই নিজে পত্রিকা, টেলিভিশন এর মালিক হওয়ার চেস্টার মত।।। এগুলো বন্ধ হওয়া জরুরী।।। ক্রাইম ডায়রির নিজস্ব গবেষণায় দেখা গেছে বিশেষ করে অপরাধী, অপরাধ সংশ্লিষ্ট কাজে জড়িতরাই নিজেদের নিরাপদ করতে কিংবা একশ্রেণির ধান্দাবাজ অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের মানসে এমন কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত গভীর বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ও ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের অধিকারী একজন আইরন লেডি।।কেউ স্বীকার করুক চাই না করুক বিষয়টা বাস্তবতার নিরিখে প্রমানিত।।।তার নিকট আওয়ামীলীগের ত্যাগী ও প্রকৃত নেতাকর্মীদের দাবী হাইব্রিড এসব দলের বিষয়টি সম্পর্কে কড়া নজরদারি করা।।।আবার বিরোধী দলেরও উচিত এদিকে মনোযোগ দেয়া। । অঙ্গদল থাকতেই পারে কিন্তু সেটারও একটা লিমিট থাকা উচিত। কি সরকারি;কি বিরোধী দল সব দলের চেয়ারম্যানদের উচিত সঠিক ও গণমুখী রাজনৈতিক চর্চার স্বার্থে অঙ্গভিত্তিক দলের ব্যাপারে সময়োচিত সিদ্ধান্ত নেয়া।। না হলে পরে পস্তাতে হতে পারে।।।

লেখক–
আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল
(লেখক,গবেষক, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী)
সম্পাদক ও প্রকাশক
ক্রাইম ডায়রি
(সাপ্তাহিক, অনলাইন দৈনিক, অনলাইন টেলিভিশন,অপরাধ গবেষণা)
কেন্দ্রীয় সভাপতি
জাতীয় সাংবাদিক পরিষদ
পরিচালক প্রশাসন
ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন।
০১৯১৫ ৫০৬৩৩২

Total Page Visits: 23305

সিরাজগঞ্জের নিমগাছীতে রাজশাহী বি এস টি আই এর অভিযানঃ দুই বেকারিকে জরিমানা

স.ম.আব্দুস সাত্তার,রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃঃ

রাজশাহী বি এসটিআই এর ধারাবাহিক ও অব্যাহত ভেজাল বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে  বিএসটিআই এর অনুমতি  না নিয়ে এবং লাইসেন্স গ্রহন না করে  বেকারী পণ্য উৎপাদন ও বিপণন করার অপরাধেে রায়গঞ্জ থানার নিমগাছী বাজারের সাথী বেকারী ও আলামিন বেকারিকে জড়িমানা ও সতর্ক করা হয়।

বি এস টি আই রাজশাহী সুত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেছেন বি এস টি আই রাজশাহী এর সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের ফিল্ড কর্মকর্তা গোবিন্দ কুমার ঘোষ।                  অপরিষ্কার ও নোংরা পরিবেশে পাউরুটি ও কেক তৈরি, কেক তৈরিতে পঁচা ডিম ও ক্ষতিকর রঙের ব্যবহার -এসব অপরাধের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোট ৭০,০০০/- টাকা জরিমানা, পঁচা ডিম ও রঙ ধ্বংস করা হয়।  স্থানীয় গণ মানুষের উপস্থিতিতে  তাদেরকে সতর্কও করা হয়।

এ অভিযানে  নেতৃত্ব দেন   উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহযোগিতা করেন রায়গঞ্জ থানা পুলিশ।

ক্রাইম ডায়রি//আদালত///জেলা//ক্রাইম

Total Page Visits: 23305

এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুদক

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তদন্ত করে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা ও ফার্মারস ব্যাংকের এমডি সহ উদ্বর্তন এজাহার ভুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুদক। দুদক সুত্রে জানা গেছে, এরা সবাই সিন্ডিকেট করে    অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদেরকে লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ নেয়। পরে এসব টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন করে।

আবার কেউবা পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে। পরে সুযোগ বুঝে এসব টাকা  উত্তোলন করে হুন্ডির মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় পাঁচার করে, জমি কিনে টাকাকে  সম্পদে রুপান্তর করে আবার কেউবা নিজ নিজ  আত্মীয়ের ব্যাংক  হিসাবে স্থানান্তর/হস্তান্তরের মাধ্যমে কিংবা বিভিন্ন সম্পদ কিনে নগদ   টাকাকে  হজম করে। পরে  ভোগদখলে রেখে সেইসব অবৈধ সম্পদ উৎস অবস্থান গোপন বা এর ছদ্মাবরণে পাচার করে এবং এখনও পাচারের প্রচেষ্টায়/ষড়যন্ত্রে সংঘবদ্ধভাবে লিপ্ত। তাই দন্ড-বিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তাদের বিরুদ্ধে উল্লিখিত ধারায় বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

সুত্রে আরও জানা গেছে,    মোঃ শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা’র নামে মঞ্জুরকৃত ঋণের ৪ কোটি টাকা আসামী প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা’র সোনালী ব্যাংক লি:, সুপ্রিম কোর্ট শাখা, ঢাকার সঞ্চয়ী হিসাব নং-৪৪৩৫৪৩৪০০৪৪৭৫ এ জমা হওয়ার পরে বিভিন্নভাবে স্থানান্তরিত হয়ে ব্যাংক হতে তোলা হয়।

এছাড়া এজাহারভুক্ত   আসামী মোঃ জিয়া উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, গুলশান কর্পোরেট শাখা, ঢাকা তদন্তকালে মৃত্যুবরণ করায় তাকে অত্র মামলার দায় হতে অব্যাহতি প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুদক তারা হলেন যথাক্রমেঃ—

(১) সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট, ঢাকা,
(২) এ কে এম শামীম, প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:,
(৩) গাজী সালাহউদ্দিন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রাক্তন ক্রেডিট প্রধান, ক্রেডিট ডিভিশন, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:,
(৪) স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, ক্রেডিট ডিভিশন, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:,
(৫) সফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, গুলশান কর্পোরেট শাখা, ঢাকা,
(৬) মোঃ লুৎফুল হক, ভাইস প্রেসিডেন্ট, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, গুলশান কর্পোরেট শাখা, ঢাকা,
(৭) মোঃ শাহজাহান, পিতা- মৃত আমির হোসেন, গ্রাম- শ্রীহরিপুর, পো:- যদুনাথপুর, উপজেলা- ধনবাড়ি, জেলা- টাঙ্গাইল,
(৮) নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, পিতা- গোলক চন্দ্র সাহা, গ্রাম ও পো:- যদুনাথপুর, উপজেলা- ধনবাড়ি, জেলা- টাঙ্গাইল,
(৯) শ্রীমতি সান্ত্রী রায় (সিমি), স্বামী- শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা, এ-৪৯, দক্ষিণপাড়া, উপজেলা- সাভার, জেলা- ঢাকা,
(১০) শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা, এ-৪৯, দক্ষিণপাড়া, উপজেলা- সাভার, জেলা- ঢাকা এবং তদন্তে আগত আসামী
(১১) মোঃ মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী), উদ্যোক্তা পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

 

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম   //// আদালত//দুদক বিট

Total Page Visits: 23305

জলবায়ুর কারনে সৃষ্ট অভিবাসন সংকট মোকাবেলায় কর্মকৌশল তৈরি করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবান

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

জলবায়ু কারনে আবাসন পরিবর্তনেে সৃষ্ট অভিবাসী সমস্যা দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে।বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ০২ ডিসেম্বর,২০১৯ইং  সোমবার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে সৃষ্ট অভিবাসী সমস্যা সমাধানের যুতসই কর্মকৌশল তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আলোচনার পথ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  স্পেনের রাজধানী ফেরিয়া দে মাদ্রিদে (আইএফইএমএ) ‘অ্যাকশন ফর সারভাইবাল : ভালনারেবল নেশনস কপ২৫ লিডারস’ শীর্ষক সম্মেলনে এ আহ্বান জানিয়েছেন।

আয়রন লেডি খ্যাত বিশ্ব বরেন্য প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ সম্প্রদায়ের অভিযোজন ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করতে হবে, কেননা এ স্থানান্তরও একটি কার্যকর অভিযোজন কৌশলের মধ্যে হতে পারে যা আমাদেরকেই সমর্থন করতে হবে। সুতরাং, বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে তাদের স্থানান্তর এবং সুরক্ষা বিষয়টি বিশ্বব্যাপী যথাযথ মনোযোগ দেয়া উচিত। আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য একটি যুগোপযোগী  কর্মকৌশল তৈরির বিষয়ে শুধু আলোচনা নয় বরং কাজ শুরু করা দরকার।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মানব অভিবাসনের ওপর পড়তে পারে এ বিষয়টি সর্বজনস্বীকৃত। চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো ইতিমধ্যে সহিংস দ্বন্দ্বের চেয়েও বেশি মানুষকে স্থানচ্যুত করছে। ধীরস্থিরভাবে সমুদ্র-স্তরের বৃদ্ধি এবং মরুকরণের মতো বিষয়গুলো বিশ্বব্যাপী অনেক কম নজর দেয়া হচ্ছে। ‘আমাদের অবশ্যই এই ভারসাম্যহীনতা সংশোধনের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।’

জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্থ ফোরামের (সিভিএফ) নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন আমাদের এমন পরিস্থিতি হয়েছে যে, সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকারের দাবিদার সবচেয়ে দুর্বল দেশগুলো তাদের প্রাপ্য সহযোগিতা পেতে ব্যর্থ হয়েছে।’

সিভিএফ এবং ভি-২০ কে দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিমুখী সহযোগিতার একটি মহৎ উদাহরণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বর্তমান সাফল্যের আরও বিকাশ চাই। মানব ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে আছি, এখন আমরা আমাদের সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হুমকির মুখোমুখি হতে চলেছি।’

জলবায়ু পরিবর্তন এখন প্রতিটি দেশের জন্য বিশেষত বাংলাদেশের মতো জলবায়ু প্রবণ দুর্বল দেশগুলোর জন্য একটি অস্তিত্বের হুমকিতে পরিণত হয়েছে, বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মিয়ানমার থেকে আসা ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হওয়ার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের রয়েছে, বলেন তিনি।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 23305

দূর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা নিয়ে রাজনীতি করছে একটি দল–বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শরীফা স্বর্নাঃ

বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাজাকে আইনি মোকাবেলা করতে না পেরে অনেকেই এটাকে রাজনৈতিক ভাবে রঙ্গিন করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মামলা নয় বরং এটা সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতির মামলা। তবে, অনেকেই এটাতে রাজনৈতিক রং মেশাতে চান। আমরা রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা দেইনি।’
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

খালেদা জিয়ার মামলা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতিমের জন্য আসা টাকা তাদের না দিয়ে খালেদা জিয়ার নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে।

তখনকার সময় সেনাশাসিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এতিমের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। ‘সে মামলার রায়ে সাজা পেয়ে তিনি এখন জেলে আছেন।’

সম্প্রতি হাইকোর্টের সামনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাস ভাঙচুরের ঘটনার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই তারা হঠাৎ করে এ হামলা করে। ‘বিএনপির নেতা-কর্মীদের জন্য এটা নতুন কিছু নয় তাদের এসব করার অভ্যাস আছে।’

২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে বিএনপির সহিংসতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা দেশের মানুষ ও সম্পদের ওপর বারবার হামলা চালিয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও ঢাকা উত্তর সিটি আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ বক্তব্য দেন।

ঢাকা উত্তর সিটি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান ঢাকা সিটির প্রতিবেদন তুলে ধরেন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় আওয়ামিলীগ ছাড়াও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 23305

খোদ রাজধানীতে চাঁদার দাবিতে এক সম্পাদককে হুমকিঃ জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের পক্ষ হতে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান:

সাংবাদিকরা ইদানীং চরম নিরাপত্তহীনতায় ভুগছেন।কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও খুনিদের টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন পেশাদার সাংবাদিকরা।অবস্থা কতটা বেশামাল হলে রাজধানীতে কর্মরত একজন খ্যাতিমান সাংবাদিক ও সম্পাদককে চাঁদার দাবিতে নাম-পরিচয় দিয়ে সন্ত্রাসী হুমকি দিতে পারে, তা ভেবে কূল পাচ্ছে না সাংবাদিক সমাজ।

২৩ নভেম্বর বেলা দেড়টায় শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদত পরিচয়ে চাঁদার দাবিতে দৈনিক ঢাকা টাইমস, ঢাকা টইমস অনলাইন পোর্টাল ও সাপ্তাহিক ‘এই সময়’-এর সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।জনাব দোলনকে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে এ হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন জনাব দোলন। রমনা মডেল থানার জিডি নম্বর ১৪৪৫,তারিখ ২৩.১১.২০১৯।

মামার বাড়ির আবদারের মতো নিজেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদত পরিচয় দিয়ে ০১৯২৩-৭৬৬৩০৩ থেকে ফোন দেওয়া হয়।সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজরা নিজেদের কতটা নিরাপদ মনে করলে আরিফুর রহমান দোলনের মতো একজন পেশাদার সাংবাদিক ও সম্পাদকের কাছে সরাসরি চাঁদা চেয়ে ফোন দিতে পারে! তিনি তো কোনো অখ্যাত সাংবাদিক নন। নন ব্যক্তিও। ফলে যে বা যারা চাঁদা চেয়ে হুমকি দিয়ে ফোনটি করেছে, তারা যে তা জেনে-বুঝে করেছে; তাতে কোনো সন্দেহ নেই্।

দেশের অন্যতম শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলোর শুরু থেকে জনাব আরিফুর রহমান দোলন কর্মরত ছিলেন।ছিলেন সিনিয়র রিপোর্টার।যাদের হাত ধরে দৈনিকটি কালোত্তীর্ণ হয়, জনাব দোলন তাদের অন্যতম। আমার সৌভাগ্য হয়েছে, প্রথম আলোয় তার সহকর্মী হওয়ার। সহকর্মী হিসেবে গর্ববোধও করি। জনাব দোলন নিজে গণমাধ্যমের মালিকানায় যুক্ত হওয়ার পর তার হাউজে যাওয়ার জন্য বলেছিলেন, কিন্তু যা যাব করে সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এখন কিন্তু না গিয়ে পারব না।এবার দাওয়াত ছাড়াই যাব। কারণ আমার এককালের সহকর্মী এবং এর চেয়ে বড় কথা, একজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের জীবন যখন হুমকির মুখে।

 

দুঃখজনক ঘটনাটি অর্থাৎ হুমকির পর স্বাভাবিক কারণেই তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত। যে কেউ এমন ঘটনার মুখোমুখি হলে এমনই হতেন। ইতিমধ্যে অনেক সাংবাদিকের সঙ্গে অসংখ্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এক্ষেত্রে জনাব দোলন বসে থাকেননি, নিয়ম মেনে ঘটনাটি তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এনেছেন। তাৎক্ষণিক করেছেন জিডিও। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ফোনের সূত্রটি ধরে এগোলে সহজেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দায়ীকে সনাক্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক সিনিয়র এই সাংবাদিককে ভীতিমুক্তকরণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সফল হবে, এ বিশ্বাস অপরাধ বিশেষজ্ঞদের।

নিজেকে সন্ত্রাসী পরিচয়দানকারী বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না-করার জন্য হুমকি দিয়েছে। জনাব দোলন দেশের প্রচলিত আইন মেনে শঙ্কা প্রকাশ করে জিডি করেছেন, এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। দুটি সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে দায়ীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতারপূর্বক শাস্তির দাবিতে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তাতে সন্ত্রাসীর আঁতে লাগাই স্বাভাবিক। কেননা চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী।

পেশাগত কারণে আরিফুর রহমান দোলন রিপোর্টাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউর সদস্য,সাংবাদিকদের রুটি-রুজির অন্যতম প্রতিষ্ঠান ঢাকা সাংবাদিক ইউনিযন- ডিইউজের সদস্য এবং সাংবাদিকদের মর্যাদা ও তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য। এর বাইরেও তার ব্যাপক পরিচিতি এবং সমাজ ও মানব কল্যাণে নিবেদিত অনেক অবদান-সুখ্যাতি রয়েছে।

সন্ত্রাসীর পক্ষ থেকে হুমকি আসার পর জনাব দোলনের জন্য স্বাভাবিক কারণেই অনেকেই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন। এর মধ্যে ২৫ নভেম্বর ডিইউজে সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের পরিচয় দিয়ে সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলনের কাছে চাঁদা দাবি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। যখন দেশে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অনিয়ম ও অপকর্মের বিরুদ্ধে ‘শুদ্ধি অভিযান’ চলছে, তখন এ ধরনের ঘটনা আতঙ্কের জন্ম দেয়।
বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে চাঁদা দাবিকারীর মুখোশ উন্মোচন করার দাবি জানান। নেতারা আরিফুর রহমান দোলনের নিরাপত্তাদানের জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযানের দাবি জানান। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। গত ২৪ নভেম্বর ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি ইলিয়াস হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ ও নিন্দা জানান। একই সঙ্গে তারা হুমকিদাতাকে দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।

এর বাইরে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, গাইবান্ধায় প্রতিবাদ সমাবেশ, মানববন্ধন, মিছিল ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। রাজধানী ঢাকায় ঘটে যাওয়া হুমকির ঘটনায় তার স্বজন ও সুহৃদরা ব্যথিত ও চিন্তিত হওয়াই স্বাভাবিক।যার প্রতিফলনের দিকগুলো এক্ষণ বর্ণনা করা হলো। আশঙ্কার কারণ হলো, জিডি এবং গণমাধ্যমে বিষয়টি ফলাও করে আসার পরও হুমকিদাতাকে চৌদ্দশিকের মধ্যে এখনো আনতে না-পারা।

এখনো হুমকিদাতারা গ্রেফতার না হওয়া দুঃখজনক।আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অনেক কাজে তাদের অসামান্য দক্ষতার পরিচয়-প্রমাণ দিয়েছে। আন্তরিক হলে এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে তাদের আন্তরিকতা, দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও বিশ্বস্ততার অসংখ্য নজির রয়েছে। এসব নজির আশাবাদী হতে সাহায্য করে।আমরা আশা করা যায়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনাব দোলনকে হুমকিদাতাদের গ্রেফতার করে সাংবাদিক মহল, সুধী সমাজ ও জনাব দোলনের স্বজনদের শঙ্কামুক্ত করবে।এ কাজটা দ্রুত করা গেলে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য কিছুটা হলেও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সহজ হবে। এদিকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ক্রাইম ডায়রির সম্পাদক ও প্রকাশক    ( জাতীয় সাপ্তাহিক,অনলাইন দৈনিক, অনলাইন টেলিভিশন ও অপরাধ গবেষনা)  আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল।   তিনি মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে  দ্রুত   দোষীদের আটক ও আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানিয়েছেন।

ক্রাইম ডায়রি///প্রতিবেদক : বিশেষ প্রতিনিধি- পিএনএস/// সৌজন্যে

Total Page Visits: 23305

ক্ষমতা কারো চিরকাল থাকেনা– রংপুরে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

নুরুজ্জামান প্রধান,বিভাগীয় অফিস,রংপুরঃ-

ক্ষমতা কারোই চীরকাল থাকেনা।  সুতরাং, ক্ষমতার বড়াই না দেখিয়ে মানবসেবা করে যাও।   বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার   এই নীতিরই পুনঃব্যক্ত করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের।  দলীয় নেতাকর্মীদের ক্ষমতার দাপট না দেখানোর আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ মানে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে সৃষ্টির শ্লোগান। দুঃসময় মোকাবেলার নাম আওয়ামী লীগ। সব দুঃসময়ের বিরুদ্ধে দুর্যোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে আওয়ামী লীগ আজ ক্ষমতায়।

২৬ নভেম্বর ২০১৯ইং মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন

তিনি বলেন, আজ সুসময় আছে। এই সুসময় চিরদিন নাও থাকতে পারে। মনে রাখবেন যে, ক্ষমতা আছে- এ ক্ষমতার দাপট দেখালে ক্ষমতা চিরদিন নাও থাকতে পারে। ক্ষমতা চিরদিন থাকে না। ক্ষমতা একসময় চলে যাবে। ক্ষমতার দাপট কেউ দেখাবেন না। বিনয়ী থাকবেন। আমাদের নেত্রী বলেছেন সাধারণ জীবনযাপন করতে হবে। অনেক স্বপ্ন দেখতে হবে। অনেক স্বপ্ন দেখাতেও হবে।

তিনি আরো বলেন, পানির অভাবে এক সময় রংপুরের মানুষ মঙ্গাকবলিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী সেই মঙ্গাকে জাদুঘরে পাঠিয়েছেন। রংপুরকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপক উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। বগুড়া থেকে চার লেনের কাজ শুরু হয়েছে। রংপুর থেকে বুড়িমারি বাংলাবান্দা সড়ক করা হবে। গোটা উত্তরাঞ্চলের সমস্ত মহাসড়ক চার লেনের আওতায় আনা হবে। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, বিশ্বের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে এক নম্বরে রয়েছেন শেখ হাসিনা। বিশ্বের মহিলা নেতাদের তালিকায়ও শীর্ষে রয়েছেন তিনি। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়বে। সেই যাত্রায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

রংপুর বিভাগীয় দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ তের বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল কাঙ্ক্ষিত এই সম্মেলন। ২০০৭ সালে সাফিয়ার রহমান সাফিকে সভাপতি ও বাবু তুষার কান্নি মন্ডলকে সাধারণ সম্পাদক করে রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়। আর ১৯৯৭ সালে রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন হয়। ২০০৬ সালে রংপুর জেলা সম্মেলন আহ্বান করা হলে দলের দুই গ্রুপের বিরোধের জেরে পণ্ড হয়ে যায়। পরে আহবায়ক কমিটি দ্বারা জেলা আওয়ামী লীগ পরিচালিত হয়। ২০০৯ সালে মরহুম আবুল মনছুর আহমেদকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজুকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় কমিটি। পরে আবুল মনসুর আহমেদের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন মমতাজ উদ্দিন আহমেদ।

বেলা ১১টায় সম্মেলন উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন। জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ এইচএন আশিকুর রহমান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল, অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক টিপু মুনশি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আখতার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিম রাজু ও মহানগর সভাপতি সাফিউর রহমান সফি। সম্মেলন উপস্থাপনা করেন মহানগর সেক্রেটারি তুষারকান্তি মন্ডল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুঃসময়ের আওয়ামী লীগ নেতাদের মূল্যায়ন না করে বসন্তের কোকিলদের হাতে নেতৃত্ব দেয়া যাবে না। মাদকসেবী, দুর্নীতিবাজ, টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজদের নেতৃত্বকে না বলুন। দীর্ঘদিন রংপুরে কমিটি না হওয়ার কারণে সেশনজটে আটকে গেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব। ত্যাগী নেতাদের কোণঠাসা করে আত্মীয়দের নেতা বানাবেন না। বিশুদ্ধ রক্ত দিয়ে দল পরিচালনা করুন। দলের নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দিন। দূষিত সব রক্তদের পরিহার করুন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন  আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় জনসাধারণ।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়//রাজনীতি

 

Total Page Visits: 23305