• বৃহস্পতিবার ( দুপুর ২:২১ )
    • ২রা জুলাই, ২০২০ ইং

চট্টগ্রাম মহানগরীর বীর অভি হত্যাকান্ডঃ এলাকাবাসীর মানববন্ধন

বাবুল হোসেন বাবলা, চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ 

অভি হত্যার প্রতিবাদে আগ্রাবাদ এলাকায় সাধারণ মানুষের মানববন্ধন অভি হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে নেমে এসেছে এলাকাবাসী আগ্রাবাদ মিস্ত্রিপাড়া এলাকার বাসিন্দা শহীদ মীর ছাদেক অভি হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। আগ্রাবাদ এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে আজ ২৭ জুন দুপুর ৩টায় নগরীর আগ্রবাদ এলাকায় “ডবলমুরিং থানার সর্বস্তরের জনসাধারণ” এর ব্যানারে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। উক্ত মানববন্ধন থেকে অভি হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় এবং প্রশাসনের ঢিলেঢালা মনোভাবের তীব্র ক্ষোভ জানানো হয়। উক্ত মানববন্ধনে শহীদ মীর ছাদেক অভির শোকাহত মা শিরিন আকতার উপস্থিত হয়ে অবিলম্বে অভি হত্যাকান্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান এবং অভির মাদক বিরোধী সংগ্রাম অব্যাহত রাখার জন্য চট্টগ্রামবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান। উক্ত মানববন্দন থেকে অভি হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে স্লোগান দেয়া হয়।

মাদকবাজরা অভির মতো মাদকবিরোধীদের হারিয়ে দিতে পারেনা। এ সমাজে হাজারো ভাল মানুষের মাঝে অন্যায়কারী এক/দুইজন। এরা যদি হাজারো মানুষের ভীরে অন্যায় করে পার পেয়ে যায় তবে বুঝতে হবে আসলে অন্যায়কারী এই প্রশ্রয়দাতা সবাই। তখন এর দায় কেউ এড়াতে পারবেনা।


উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সামাজিক কর্মকান্ডে অভির সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মাদক বিরোধী তার নানামূখী কর্মকান্ডের কারণে তিনি সর্বমহলে সমাদৃত ছিলেন। তিনি বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। মানুষের প্রতি তার ভালবাসার কারণেই তিনি এলাকাবাসীর অত্যধিক প্রিয় সন্তান ছিলেন। কিন্তু মাদক সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে আমাদের প্রিয় এই সন্তানকে। এই হত্যাকান্ড আমাদের হৃদয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। অভির হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ আমাদের এই ক্ষত শুকাবে না। অভির মৃত্যুর কয়েকদিন পার হয়ে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনরূপ এ্যাকশান না দেখে আমরা খুবই মর্মাহত। অবিলম্বে অভির খুনিদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যাতায় আমরা এলাকাবাসী রাজপথে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।


উক্ত মানববন্ধনে এলাকার বিভিন্ন স্তরের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অভির হত্যাকারীদের গ্রেফতার দাবী করে এ সময় বক্তব্য রাখেন শহীদ অভির মা শিরিন আকতার, ছাত্রনেতা গাজী মো. সিরাজ উল­াহ, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাঈন উদ্দিন আহমেদ রাশেদ, মীর জাহেদ ইলাহী রানা, যুব নেতা মো. সেলিম, বজল আহমদ, মো. আলমগীর, আগ্রাবাদ মোটর পার্টস সমিতির সভাপতি সৈয়দ ওমর ফারুক, বিশিষ্ট শিল্পপতি সাহেদ আলী সারজিল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীর সাদাত, মঈনুল হাসান লেমন, মো. আলম, মুজিবুর রহমান, মীর ও সৈয়দ বাড়ীর সর্দার সেকান্দর মিয়া, ছাত্রনেতা সামিয়াত আমিন জিসান, জাফরুল হাসান রানা, আরিফুর রহমান মিঠু, মাসুদ সিকদার, সৌরভ প্রিয় পাল, এম কে রিয়াদ, মাহমুদুর রহমান বাবু, কাইয়ুম রশিদ বাবু, আরশে আজিম আরিফ, মাঈন উদ্দিন মিনহাজ, ডিএইচ শিশির, মো. হামিদ, এম. ডি সোহেল মাল্টু প্রমুখ।

ক্রাইম ডায়রি/ মহানগর

Total Page Visits: 55423

বিশ্বজুড়ে লকডডাউন চলবে কতদিন??? এতে কি রোগের প্রাদুর্ভাব কমবে??

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

জাতীর উদ্দেশ্যে দেয়া এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।কিন্তু  বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোসহ  প্রিয় বাংলাদেশেও এই লকডাউন বা শাটডাউন আসলে চলতে পারে কতদিন ধরে? কী হবে এই লকডাউন পরিস্থিতিতে? আর এগুলো কী করোনাভাইরাস প্রার্দুভাব ঠেকাতে পারবে? ভেজাল খাদ্যে খেয়ে কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন মানুষ কিভাবে সামলাবে এই ধাক্কা??

বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস বুধবার এক প্রেস বিফ্রিংয়ে বলেন, ‘আমরাও বুঝি যে এসব দেশ আসলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে যে কখন এবং কীভাবে এসব পদক্ষেপগুলো শিথিল করা যায়।’ দেশের আনাচে কানাচে লক ডাউন কার্যকরকরতে কাজ করছে পুলিশ ও সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যবৃন্দ।।।জরুরী অবস্থার একটাই কারন জনগনকে গৃহে রাখা যাতে রোগ বিস্তার লাভ না করে।সফলতা কতটুকু আসবে তা নির্ভর করে জনগনের আন্তরিকতার উপর।

বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার তত্বাবধানে গবেষণা চলছে রাতদিন।। কবে নাগাদ মুক্তি মিলবে সে বিষয়ে তাদের সোজা  কথা  ‘এই জনসংখ্যা বিষয়ক পদক্ষেপগুলো কার্যকর থাকার সময়টাতে দেশগুলো কী ব্যবস্থা নেয় – তার উপর এর উত্তর নির্ভর করছে।’

‘মানুষকে ঘরে থাকতে বলা এবং তাদের চলাচল বন্ধ করার অর্থ হচ্ছে সময় নেওয়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর চাপ কমানো,’ বলেন হু’ প্রধান ঘেব্রেইয়েসাস। কিন্তু তাদের (দেশগুলোর) এসব পদক্ষেপ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা কমাতে পারবে না।

এই লকডাউনের সময়টাতে ভাইরাসটিকে ‘অ্যাটাক (হামলা)’ করার জন্য তৈরি হতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু কীভাবে এই সময়টাকে কাজে লাগাবে এসব দেশ- সেটিও একটি প্রশ্ন। আর এর জবাবও দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ঘেব্রেইয়েসাস।

যে ৬টি কাজ একান্ত জরুরি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, লকডাউন বা শাটডাউন পরিস্থিতিতে দেশগুলোকে ছয়টি বিষয়ের দিকে নজর দিতে হবে। এগুলো হলো:

১. যতটা সম্ভব পারা যায় স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সংখ্যা বাড়াতে হবে, তাদের প্রশিক্ষণ ও সেবা কাজে নিয়োগ করতে হবে।

২. কম্যুনিটি লেভেলে সংক্রমণ হতে পারে – এমন প্রতিটি ঘটনা খুজে বের করার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. টেস্ট করার জন্য সকল ধরনের ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে হবে।

৪. রোগীদের চিকিৎসা এবং তাদের আইসোলেট করার জন্য পর্যাপ্ত সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. রোগীদের সংস্পর্শে আসা প্রত্যেকের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

৬. ইতিমধ্যে কোভিড-১৯ মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত সরকারি পদক্ষেপগুলো পুর্নমূল্যায়ন করতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এসব ব্যবস্থা নেওয়াটাকেই সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

সংস্থাটির দাবি, এসব ব্যবস্থাই ভাইরাসটির সংক্রমণ কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায়, যাতে করে পরবর্তীতে এটি আবার না ছড়াতে পারে।

এসব ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর স্কুল-কলেজ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও অসুবিধা নেই, যতক্ষণ না আবারো ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু না হয়।

ঘেব্রেইয়েসাস বলছেন, কঠোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার চাইতে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের ‘খুজে বের করা, আইসোলেট করা, টেস্ট করা এবং নজরদারিতে রাখা’র বিষয়ে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিতে পারলেই সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ও কার্যকর উপায়ে ভাইরাসটিকে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এদিকে বিশ্বসংকটের এই মহাদূর্যোগের রয়েছে ধর্মীয় ব্যাখ্যাও।।। সোশাল মিডিয়ায় সে আলোচনা ও সরব। তবুও বিশ্ব এখন সংকটে।। সংকট নিরসনে প্রভুর দরবারে দোয়া ও চেষ্টা চলতে হবে সমান গতিতে।।।

ক্রাইম ডায়রি ///জাতীয়///সুত্র-বিবিসি

Total Page Visits: 55423

লকড ডাউন বিশ্বঃ এর শেষ কোথায়???

স্পেশাল ডেস্কঃ

পুরো পৃথিবী স্থবির।।ঠিক কিয়ামতের দিন সব কিছু ধ্বংস হলে মহান আল্লাহতায়ালা যেমন সকল বাহাদুরদের ডেকে বলবেন কোথায় সকল বাহাদুর। উত্তর দেবার মত কেউ থাকবে না।সেদিন রাজত্ব হবে শুধুই মহান মাবুদের। আজকের পরিস্থিতি ঠিক সেদিনেরই ট্রায়াল ক্লাস। মানুষ ভয় পেতোনা।কিন্তু   যখন বিজ্ঞানের  খনি খ্যাত দেশ গুলো টিকা তৈরির ক্ষেত্রে দূর্বল অবস্থানেে তখন সবাই অসহায় হয়ে পড়ল। আজ   পৃথিবীটা যেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যেসব জায়গা মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে, সেগুলো দেখলে এখন ভূতুড়ে মনে হয়। প্রতিদিনের চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা, স্কুল বন্ধ, ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা, গণ-জমায়েতের উপর বিধিনিষেধ – এসব কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

একটি রোগে ঠেকানোর ক্ষেত্রে পুরো বিশ্ব যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, সেটি নজিরবিহীন।

কিন্তু এর শেষ কোথায়? মানুষ কবে নাগাদ তাদের স্বাভাবিক দৈনন্দিন জীবনে ফিরতে পারবে?

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে করোনাভাইরাসের ‘ঢেউ উল্টোপথে ঘুরিয়ে’ দিতে সক্ষম হবে ব্রিটেন।

আগামী তিনমাসের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুরোপুরি শেষ হতে অনেক সময় বাকি।

সম্ভবত কয়েকবছর পর্যন্ত লাগতে পারে।

এটা পরিষ্কার যে যেভাবে বড় বড় শহর বন্ধ রাখা হচ্ছে এবং মানুষের দৈনন্দিন চলাফেরারা উপর বিধি আরোপ করা হচ্ছে, সেটি দীর্ঘমেয়াদি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এভাবে সবকিছু বন্ধ থাকলে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক প্রভাব হবে মারাত্মক।

এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দেশগুলোকে একটি কৌশল খুঁজে বের করতে হবে। বিধিনিষেধগুলো প্রত্যাহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার উপায় খুঁজতে হবে।

একথা ঠিক যে বিধিনিষেধ আরোপের ফলে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। এসব বিধিনিষেধ তুলে দিলে সংক্রমণের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাবে।

“এখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কৌশল কী হবে এবং সেখান থেকে আমরা কিভাবে বের হয়ে আসবো -এনিয়ে নিয়ে বড় সমস্যা আছে,” বলছিলেন এডিনবার্গ ইউনিভার্সিটির সংক্রামক রোগ বিষয়ক অধ্যাপক মার্ক উলহাউজ।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে পৃথিবীর কোন দেশেরই কৌশল নেই।

এই কৌশল ঠিক করা বড় ধরণের বৈজ্ঞানিক এবং সামাজিক চ্যালেঞ্জ।

এর তিনটি উপায় আছে।

১. টিকা দেয়া

২. বহু মানুষের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণের ফলে তাদের মধ্যে এনিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠবে

৩. অথবা স্থায়ীভাবে মানুষ এবং সমাজের আচার-আচরণে পরিবর্তন নিয়ে আসা

টিকা আসতে সময় লাগবে ১২ থেকে ১৮ মাস। এই টিকা গ্রহণ করলে করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে আসলেও তারা অসুস্থ হবে না। যত বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা দেয়া যাবে ততই ভালো। যদি মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশকে টিকা দেয়া হয়, তাহলে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে না।

ইতোমধ্যে আমেরিকায় এক ব্যক্তির দেহে পরীক্ষামূলক-ভাবে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়া হয়েছে। যে কোন টিকা আবিষ্কার করলে সেটি প্রথমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার করা হয় যে কোন প্রাণির উপর। এক্ষেত্রে বিশেষ অনুমোদন নিয়ে প্রথমেই মানুষের উপর প্রয়োগ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের জন্য বেশ দ্রুত গতিতে কাজ চলছে। কিন্তু এটি সফল হবে কিনা কিংবা বিশ্বজুড়ে এই টিকা দেয়া যাবে কি না – সে নিশ্চয়তা নেই।

প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা

Image captionকরোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবার অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে কাশি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলার জন্য জন্য ব্রিটেন যে কৌশল নিয়েছে সেটি হচ্ছে, আক্রান্তের সংখ্যা যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা যাতে হাসপাতালগুলো রোগীতে পরিপূর্ণ না হয়ে যায়। হাসপাতালগুলো রোগীতে পরিপূর্ণ হয়ে গেলে আইসিইউতে জায়গা পাওয়া যাবে না। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকবে।

ব্রিটেনের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা স্যার প্যাট্রিক ভ্যালান্সি বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কখন কোন পর্যায়ে যাবে সেটি নিয়ে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা দেয়া সম্ভব নয়।

লন্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের অধ্যাপক নিল ফার্গুসন বলেন, “আমরা সংক্রমণের মাত্রা কমিয়ে রাখার কথা বলছি যাতে করে দেশের একটি কম সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়।”

” আমরা যদি দুই বছরের বেশি সময় যাবত এটা করতে পারি তাহলে দেশের একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে আক্রান্ত হবে। এর ফলে স্বাভাবিক নিয়মে রোগ প্রতিরোধ গড়ে উঠবে।”

কিন্তু এ কৌশলের মাধ্যমে গড়ে ওঠা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কতদিন টিকবে সেটি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অতীতে করোনাভাইরাসের অন্যান্য ধরণের যেসব সংক্রমণ হয়েছে সেসব ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা খুব ভালো কাজ করেনি। অনেকে মানুষ তাদের জীবনে বেশ কয়েকবার আক্রান্ত হয়েছে।

বিকল্প কী?

অধ্যাপক উলহাউজ বলেন, তৃতীয় বিষয়টি হচ্ছে আমাদের আচার-আচরণে স্থায়ী পরিবর্তন নিয়ে আসা যার ফলে সংক্রমণের মাত্রা বেশি না হয়।

বর্তামানে যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তার মধ্যে কিছু বিষয় রয়েছে। যেমন: কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা কিংবা পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টি জোরদার করা।

” আমরা শুরুতেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সনাক্ত করেছি এবং তারা যাদের সংস্পর্শে গিয়েছে তাদেরও খুঁজে বেরি করেছি। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি।,” বলছিলেন অধ্যাপক উলফহাউজ।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর ঔষধ আবিষ্কার করা সম্ভব হলে সেটি অন্য কৌশলগুলো বাস্তবায়নের জন্যও সাহায্য করবে।

মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের লক্ষণ দেখা দেয়ার সময় ঔষধ প্রয়োগ করলে তাহলে সেটি অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে যাবার বিষয়টি বন্ধ করতে পারে।

অথবা হাসপাতালে চিকিৎসা দেবার মাধ্যমে এই রোগের মাত্রা কমিয়ে আনা যাতে আইসিইউ বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের উপর চাপ কমে। এটি করা সম্ভব হলে সবকিছু বন্ধ করে দেয়া বা লকডাউনের আগে দেশগুলো বেশি রোগী সামাল দিতে পারবে।

এছাড়া হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউতে বেশি শয্যার ব্যবস্থা করে অধিক সংখ্যক রোগী সেবা দেয়া সম্ভব। পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য এটিও একটি উপায়।

ব্রিটেনের চিকিৎসা বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ক্রিস হুইটির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে বর্তমান পরিস্থিতি তেকে বের হয়ে আসার উপায় কী?

তিনি বলেন, ” টিকা দেয়াটাই হচ্ছে দীর্ঘ মেয়াদে সমাধান। আমরা আশা করছি এটা যত দ্রুত সম্ভব হবে।”

এছাড়া বিজ্ঞান এর একটা সমাধান খুঁজে বের করবে বলে তিনি আশা করেন।

বিবিসি অবলম্বনে///ক্রাইম ডায়রি

Total Page Visits: 55423

করোনার প্রবেশদ্বার নাক ও মুখঃ হাত ভালভাবে না ধুয়ে নাক মুখ ধরবেন না,চুলকাবেন না

স্পেশাল ডেস্কঃ

করোনাভাইরাস:কোথায় কতোক্ষণ বেঁচে থাকে কোভিড-১৯ এর জীবাণু এবং এটি নির্মূল করার উপায় কী?

সারা বিশ্বেই এখন দেখা যাচ্ছে যে লোকজন তাদের কনুই দিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করছেন, সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা বা নামার সময় রেলিং ধরছেন না এবং বাসে ট্রেনে চলার সময় হ্যান্ডল না ধরেই তারা দাঁড়িয়ে আছেন, অফিসে পৌঁছেই লোকজন জীবাণুনাশক দিয়ে তাদের ডেস্ক ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করছেন।
যেসব এলাকায় এই ভাইরাসের মারাত্মক সংক্রমণ ঘটেছে সেখানে পরিবহন, রাস্তা ঘাট ও পার্কে স্প্রে করে সেগুলো জীবাণুমুক্ত করার চেষ্টা চলছে। একই উপায়ে পরিষ্কার করা হচ্ছে অফিস আদালত, হাসপাতাল, দোকানপাট, রেস্তোরাঁও।
ড্রপলেটে কী থাকে????
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে যে জলীয় কণা বা ড্রপলেট বাতাসে বের হয়ে আসে তার মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মাত্র এক বারের কাশি থেকেই বের হতে পারে এরকম ৩,০০০ ড্রপলেট।
ড্রপলেটের এই কণা গিয়ে পড়তে পারে আরেকজনের গায়ে, কাপড়ে এবং আশেপাশের জিনিসের উপর। তবে কিছু ক্ষুদ্র কণা থেকে যেতে পারে বাতাসেও।
দেখা গেছে এই ভাইরাস মল-মূত্রের মধ্যে আরো বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারে। টয়লেট থেকে ফিরে ভাল করে হাত না ধুলে তার হাতের স্পর্শের সাহায্যে আরো অনেক কিছুতেই এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন বলছে, ভাইরাসটি লেগে আছে এরকম কোন বস্তু স্পর্শ করার পর হাত দিয়ে যদি মুখ স্পর্শ করা হয় তাহলে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে। তবে এটিই এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার প্রধান উপায় নয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য কর্তৃপক্ষও বলছে যে, বার বার হাত ধুয়ে এবং একই সাথে যেসব জিনিস ধরা হচ্ছে সেগুলো বার বার জীবাণুমুক্ত করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
করোনাভাইরাসের আয়ু????
এটা এখনও পরিষ্কার নয় যে কোভিড-১৯ এর জীবাণু মানবদেহের বাইরে কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে।
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে আরো যেসব করোনাভাইরাস আছে, যেমন সার্স ও মার্স, সেগুলো লোহা, কাঁচ এবং প্লাস্টিকের গায়ে ৯ (নয়) দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
আবার কোনো কোনো ভাইরাস ঠাণ্ডা জায়গায় ২৮ দিনও বেঁচে থাকতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেলথের একজন ভাইরোলজিস্ট নিলৎজে ফান ডোরমালেন তার সহকর্মীদের নিয়ে গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন কোভ-২ বা সার্স ভাইরাস কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে।
তাতে দেখা গেছে, কাশি দেওয়ার পর থেকে ড্রপলেটের মধ্যে এই ভাইরাসটি তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
ক্ষুদ্র ড্রপলেটে, যার আকার ১ থেকে ৫ মাইক্রোমিটার (মানুষের চুলের ৩০ গুন চিকন) সার্স

তবে গবেষণায় দেখা গেছে কোভ-২ ভাইরাস কার্ডবোর্ডের মতো শক্ত জিনিসের ওপর ২৪ ঘণ্টা আর প্লাস্টিকের জিনিসের গায়ে দুই থেকে তিন দিনও বেঁচে থাকতে পারে।
গবেষণা বলছে, ভাইরাসটি দরজার হাতল, প্লাস্টিক ও লেমিনেটেড ওয়ার্কটপ ও কঠিন বস্তুর ওপর দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকতে পারে। আর কপারের কোন জিনিসে পড়লে এর মৃত্যু হতে চার ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে।
নির্মূলের উপায়??????
গবেষণায় দেখা গেছে করোনাভাইরাসকে এক মিনিটেই নিষ্ক্রিয় করে ফেলা যেতে পারে। ৬২-৭১% এলকোহল মিশ্রিত তরল পদার্থ দিয়ে কোনো জিনিসকে করোনামুক্ত করা যায়।
০.৫ শতাংশ হাইড্রোজেন প্রিঅক্সাইড এবং ০.১% সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট মেশানো ব্লিচ দিয়েও করোনাভাইরাস নির্মূল করা সম্ভব।
উচ্চ তাপমাত্রা ও আদ্রতার কারণেও অন্যান্য করোনাভাইরাসের দ্রুত মৃত্যু হতে পারে।
দেখা গেছে সার্সের জন্যে দায়ী করোনাভাইরাস ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় বেঁচে থাকতে পারে না।
কতোক্ষণ বেঁচে থাকে কোভিড-১৯ এর জীবাণু
বিজ্ঞানীরা বলছেন, কোভিড-১৯ এর জন্যে দায়ী ভাইরাসটি কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে তা নির্ভর করে এটি কোন ধরনের বস্তুর গায়ে পড়েছে তার ওপর।
দরজার শক্ত হাতল, লিফটের বাটন এবং কিচেন ওয়ার্কটপের মতো শক্ত জিনিসের গায়ে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা টিকে থাকতে পারে। তবে এর আগের গবেষণায় দেখা গেছে সহায়ক পরিবেশে সব ধরনের করোনাভাইরাস এক সপ্তাহও বেঁচে থাকতে পারে।

তবে কাপড়ের মতো নরম জিনিসের গায়ে এটি এতো লম্বা সময় বেঁচে থাকতে পারে না।
ফলে আপনি যে কাপড়টি পরেছেন এবং তাতে যদি ওই ভাইরাসটি থাকে, জামাটি একদিন কিম্বা দুদিন না পরলে সেখানে ভাইরাসটি জীবিত থাকার আর সম্ভাবনা নেই।
মনে রাখতে হবে, কোভিড-১৯ এর ভাইরাসটি লেগে আছে এরকম জিনিসে শুধু স্পর্শ করলেই আপনি আক্রান্ত হবেন না।
শুধু স্পর্শ করার পর আপনি যদি হাত দিয়ে মুখ, নাক অথবা চোখ স্পর্শ করেন তাহলেই এই ভাইরাসটি আপনার শরীরে ঢুকে পড়বে।
তাই এই ভাইরাসটি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ একটি করণীয় হচ্ছে হাত দিয়ে নাক মুখ স্পর্শ না করা।।।

(মহান আল্লাহকে স্মরন করুন।।।কোথায় সকল বাহাদুর।।।। আজ আল্লাহর রাজত্ব।।।তার গোলাম হতে পারলে কোনও ভয় নেই।।তাই ফিরে আসুন।।।আল্লাহর দিকে।।।)

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা///ক্রাইম ডায়রি

Total Page Visits: 55423

উজিরপুরে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে মুক্তি পেল দুই কিশোরী

োউজিরপুর প্রতিনিধিঃ

বরিশালের উজিরপুরে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে মুক্তি পেল দুই কিশোরী। ১১ মার্চ বুধবার বেলা ১০টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণতি বিশ্বাসের নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সেকিউটিভ
ম্যাজিষ্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের গাজিরপাড় গ্রামের আকবর
আলী বেপারীর কিশোরী মেয়েকে জোর পূর্বক বাল্য বিবাহের সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে
ঘটনাস্থলে ছুটে যান এসিল্যান্ড এবং পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারী। তাদের
উপস্থিতিতে বাল্য বিবাহ পন্ড হয়ে যায়। এ সময় কিশোরীর পিতা আকবর বেপারী প্রাপ্ত বয়স্ক
না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দেবে না বলে মুচলেকা প্রদান করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশারেফ
হোসেনের জিম্মায় তাদেরকে রেখে আসা হয়। এ ছাড়া বেলা ১২টায় পূর্ব হারতা গ্রামের
আঃ জলিল বেপারীর মেয়েকে তথ্য গোপন করে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে বিয়ের আয়োজন করে।

 


খবর পেয়ে এসিল্যান্ড ঘটনাস্থল থেকে মেয়ের পিতা আঃ জলিলকে গ্রেফতার করে উপজেলায় এনে
মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার এস.আই মাহাতাব উদ্দিন। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে
আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ায় এসিল্যান্ডকে সাধুবাদ জানান সচেতন মহল।
ক্রাইম ডায়রি///জেলা//ক্রাইম

Total Page Visits: 55423

করোনা ঠেকাতে ইরানে বন্দী মুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ

করোনা নিয়ে আতংকের মাঝেই   প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তৃতি ঠেকাতে বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ৫৪ হাজারেরও বেশি কয়েদিকে সাময়িক সময়ের জন্য মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান সরকার। আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, দেশটির বিচার বিভাগের মুখপাত্র গোলাম হোসেইন ইসমাইলি বলেছেন, যে কয়েদিদের দেহে কভিড-১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া যাবে না, কেবল তাদেরই জামিন দেওয়া হবে। তবে যেসব বন্দির সাজার মেয়াদ ৫ বছরের বেশি, তাদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।বিবিসি জানিয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্তদের তালিকায় ব্রিটিশ-ইরানি সমাজকর্মী নাজানিন জাঘারি-র‌্যাটক্লিফও আছেন বলে যুক্তরাজ্যে ইরানের রাষ্ট্রদূতের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন লন্ডনের হ্যাম্পস্টিড ও কিলবার্নের এমপি টিউলিপ সিদ্দিক।“আজ-কালের মধ্যে নাজানিন জাঘারি ছাড়া পেতে পারেন বলে রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন,” বলেছেন টিউলিপ।

২০১৫ সালে তেহরানে মেয়েসহ গ্রেপ্তার হন নাজানিন, এরপর গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিক হ্যাম্পস্টিডের ভোটার।তেহরানের এভিন কারাগারে বন্দি নাজানিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে বলে শনিবার তার স্বামী সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। কর্তৃপক্ষ তার দেহে ভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করে দেখতে রাজি হয়নি বলেও অভিযোগ ছিল তার।

সোমবার ইসমাইলি এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, নাজানিনের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। “তিনি (নাজানিন) তাদেরকে তার স্বাস্থ্য ভালো বলে আশ্বস্ত করেছিলেন,” বলেন ইরানের বিচার বিভাগের এ মুখপাত্র।

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া নতুন এ করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এরই মধ্যে ৯০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে; মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১১০ জনে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কভিড-১৯ এর উপস্থিতি চীনের বাইরেই বেশি দেখা যাচ্ছে। ইরানের পাশাপাশি ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়ায় ভাইরাসটির সংক্রমণ বিশ্বজুড়েই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

করোনাভাইরাস দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে ইরানের ৭৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশটিতে দুই হাজার ৩৩৬ জনের দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি মিলেছে।

তবে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি বলেও অনেকের ধারণা।

আফগানিস্তান, কানাডা, লেবানন, পাকিস্তান, কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক, ওমান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে শনাক্ত হওয়া আক্রান্ত অনেক ব্যক্তির সঙ্গেও ইরানের যোগ মিলেছে বলে বিবিসি জানিয়েছে। শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ এ দেশটির জরুরি চিকিৎসা সেবা বিভাগের প্রধান পীরহোসেন কলিভান্দসহ অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দেহেও কভিড-১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এমনকী পার্লামেন্টের ২৯০ সদস্যের মধ্যে ২৩ জনের দেহেও প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির এক উপদেষ্টা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সোমবার তেহরানে মারা গেছেন বলেও দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

৭১ বছর বয়সী মোহাম্মদ মীর মোহাম্মাদি খামেনির খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে এক বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা জনসাধারণকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে চলতে আহ্বান জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সব ধরনের সহযোগিতায় সকল সরকারি বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ইরান আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে লুকোচুরি করছে না বলেও দাবি তার। “আমাদের কর্মকর্তারা প্রথম দিন থেকেই স্বচ্ছতা ও একনিষ্ঠতার সঙ্গে এ বিষয়ক প্রতিবেদন দিয়ে যাচ্ছে। যেসব দেশে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল, তারাই বরং এ সংখ্যা লুকানোর চেষ্টা করেছে। আমাদের দেশে এটি আর বেশিদিন থাকবে না; আমরা একে মোকাবেলা করবোই,” বলেছেন খামেনি।

বুধবার থেকে ইরানজুড়ে ভাইরাস শনাক্তে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বলে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রী সাইদ নামাকি জানিয়েছেন।যাদের পরীক্ষাগারে আসার মতো অবস্থা নেই এবং যারা সন্দেহভাজন, সবার দেহেই ভাইরাসটির উপস্থিতি পরীক্ষা করে দেখা হবে, বলেছেন তিনি। তবে, আগামী সোমবার হতে এ ব্যাপারে একদল বিশেষজ্ঞ মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ।

ক্রাইম ডায়রি///আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 55423

করোনা নিয়ে অনলাইনে অপপ্রচারঃঃ সিটিসি’র হাতে গ্রেফতার ০৫

ক্রাইম ডায়রি অনলাইন ডেস্কঃ

আতংক ও একটি মহামারী রোগ। এটা সময় মতে ছড়াতে পারলে প্রকৃত ঘটনার চেয়েও দ্রুত গতিতে এ রোগে আক্রান্ত হয় মানুষ।   যে কারনে গুজব বা আতংক প্রতিরোধে বরাবরই সোচ্চার বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি টিম সিটিসি।।। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নভেল করোনা ভাইরাস নিয়ে গুজব ছড়ানোয় ৫ জনকে হেফাজতে নিয়েছে তারা। সিটিসি সুত্রে জানা গেছে,   ” করোনাভাইরাস বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, এতে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশের দুইজন মারা গেছেন।” বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে এই গুজব ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে পাঁচজনকে হেফাজতে নিয়েছে ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগের পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগের কার্যালয়ে আনা হয়েছে। দৈনিক খবর, টুইটবাংলা ডটকম, অন্য আলো, শেখ রানা (ফেসবুক আইডি), এম এ হাসনাত জামিল (ফেসবুক আইডি) সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হয়েছে বা মারা গেছে এমন কোনো অথেনটিক খবর পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ সরকার এবং এ দেশের জনগণ অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবেই এ ভাইরাসের সংক্রমণ বা বিস্তার রোধে কাজ করছে।

অনেকেই এ বিষয়ে অতি উৎসাহী হয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যারাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে এ ধরনের খবর প্রচার করবে তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে সিটিসি।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম///আইন শৃঙ্খলা

Total Page Visits: 55423

যুদ্ধ করছিলেন বাল্য বিয়ের বিরুদ্ধেঃটিকতে পারলেন না ইউএনও তানিয়া

ইমাম বিমান, ঝালকাঠি থেকে :

ঝালকাঠিতে যোগদান করে বাল্য বিয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেও কুচক্রী মহলের কারনে মাঠে থাকতে পারেননি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌস। যার কারনে ঝালকাঠিতে যোগদান করার ৮ মাসেই বদলী হয়েছেন তিনি।

নারী হয়েও সদর উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা সততা, নিষ্ঠার প্রতীক তানিয়া ফেরদৌস ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদানের পর ৭ মাসের মধ্যেই প্রায় ২০টি বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করেন। তানিয়া ফেরদৌসের অনত্র বদলী জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ঝালকাঠিতে মাত্র কয়েক মাসেই সদর উপজেলায় যোগদানের পর থেকে যখন যে সময়, যেখানেই বাল্যবিয়ের কথা শুনেছেন সকাল, বিকেল আর রাত নেই ছুটে গেছেন প্রত্যন্ত এলাকায়। সেই সাথে ঘটনার সত্যতা পেয়ে সাংবাদিকদেরও অবগত করেছেন। ঝালকাঠি সদর উপজেলায় যোগাদানের পর এখন পর্যন্ত দিন-রাত যার অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ২১টি বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ করেছেন। সম্প্রতি গত ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারী মাত্র ১২ ঘন্টার ব্যবধানে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌসের হস্তক্ষেপে দুইটি ইউনিয়নে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধের মাধ্যমে ১৩ বছর বয়সী নবম শ্রনী পড়ুয়া দুইজন স্কুল ছাত্রীকে ফিরেয়ে দিয়েছেন নতুন জীবন।

এ বিষয় অনুসন্ধানে জানাযায়, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা, সদালাপি এবং সৎ কর্মতা হিসাবে ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া ফেরদৌস। উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে ঝালকাঠিতে যোগদানের মাত্র ৮ মাস যেতে না যেতেই, কেন বদলী জনিত কারনে ঝালকাঠিকে বিদায় জানাতে হলো ? এ বিষয়টি ওপেন সিক্রেট থাকলেও প্রশাসন, গোয়েন্দা বিভাগ, সাংবাদিক, দুদকসহ সরকারের সকল বিভাগ অবগত আছে। সরকারী এই কর্মকর্তা বিরোধী এক চক্র কয়েকদিন আগে তার বিরুদ্ধে উৎকোচের বিনিময় চৌকিদার নিয়োগ করছেন বলে অপপ্রচার চালায়। সেই সাথে ঝালকাঠির একাধিক সিনিয়র সাংবাদিকদের এমন তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টায়ও কমতি ছিলো না। কিন্তু অপপ্রচার কারী চক্রটি জানতেন না ঝালকাঠির পেশাদার সাংবাদিকদের কাছে তানিয়া ফেরদৌস একজন সাদা মনের সৎ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। সাংবাদিকদের জানা ছিল তানিয়া ফেরদৌস এ নিয়োগে স্বচ্ছতা রাখতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সকল পর্যায় স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বাছাই প্রক্রিয়ার অন্যতম সদস্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), উপজেলা প্রকৌশলী এবং সদস্য সচিব আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ছিলেন। শুধু তাই নয় নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে গোয়ান্দা বিভাগ ও পুলিশের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। অনুসন্ধানের গভীরে গিয়ে জানাযায়, শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়াই নয় গত ২০১৯ সালের জুন মাসে যোগদান করেই তিনি প্রথম ২০১৮-১৯ সালের এডিবি প্রকল্পের কাজ না দেখে চেকে স্মাক্ষর না দেয়ায় পড়েন রোসানলে। এডিবি প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের সংবাদ জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করে। প্রকল্পের সহ-সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থাকায় তানিয়া ফেরদৌস কাজ না দেখে চেক ফিরিয়ে দেয়ায় বিরাগভাজন ও অপ্রিয় হয়ে যান অনেকের। এক পর্যায় এডিবি প্রকল্পের কাজ দেখতে না পারলেও প্রকল্প সদস্য সচিব কতৃক চুড়ান্ত প্রতিবেদন ও কাজের মান প্রত্যয়ন স্বাপেক্ষে আর্থিক অনুমোদন দিতে বাধ্য হন তিনি। এছারাও একই সমস্যার সম্মুখিন হন টিআর, কাবিখা প্রকল্প নিয়েও। যার সভা না করে প্রকল্প অনুমোদনে দ্বিমত করায় তিনি আরো অপ্রিয় হয়ে ওঠেন বলেও শোনা যায়।

ঝালকাঠিতে যোগদানের পর শুধু বাল্য বিয়েই নয় সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ইউনিয়ন পর্যায় ও ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল, কলেজে গিয়ে জঙ্গী, মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিয়ে ও দুর্নীত প্রতিরোধ, প্রতিরোধ সমাবেশ করেছেন। এছাড়াও সদর উপজেলাধীন ইউনিয়ন গুলোতে গিয়ে কিশোর কিশোরী ক্লাবের নিয়োগ, তথ্য অধিকার আইন, ধান ও গম বীজ সংগ্রহ, যাচাই বাছাই পূর্বক সততার সহিত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। ২০১৯ এ ঘূর্নিঝড় বুলবুল অাঘাত হানার বার্তা সহ মানুষকে বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়স্থানে নিয়ে আসার আহবানে নিজ জীবনের ঝুকি নিয়ে তার নেতৃত্বে উপজেলার কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে নদী তীরবর্তী এলাকায় ছুটে গিয়ে সেখানকার মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে আনতে কাজ করেছেন। সেই সাথে ঘূর্নীঝড় বুলবুলের আঘাত শেষে ঐ সকল এলাকা সহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষেকে সাহায্য করার মাধ্যমে তাদের পাশে দাড়িয়েছেন। প্রাকৃতিক দূর্যোগে শৈত প্রবাহে গরীব মাঝে কম্বল বিতরন করেছেন।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তানিয়া ফেরদৌসকে শেষ পর্যন্ত ঝালকাঠি কর্মস্থল থেকে অনত্র চলে যেতেই হলো। এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ঝালকাঠিতে যোগদানের ৮ মাসেই বদলীর বিষয়ে কোন মন্তব্য না করে তিনি বলেন, বদলী একটি নিয়ম তান্ত্রিক প্রক্রিয়া, এটা যে কোন সময়ই হতে। কতৃপক্ষের নির্দশনা পালন করা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমার কাজের মূল্যায়ন সাধারন মানুষের উপর ছেড়ে দিলাম। নবাগত ইউএনও মহোদয় অবশ্যই আরো ভালো এবং সুচারু রপে নিজ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।

ক্রাইম ডায়রি// জেলা///

Total Page Visits: 55423

র‌্যাব-১১ কর্তৃক এস এসসি’র প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের বড় গ্যাং আটক

শাহাদাত হোসেন রিটনঃ


চলমান এসএসসি পরীক্ষার ভূয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস ও রেজাল্ট পরির্তন করে দেয়া চক্রের ০৫ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। জানাা গেছে,

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে
বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্রের বিরুদ্ধে র‌্যাব বরাবরই সোচ্চার ছিল।  ২০২০ সালের চলমান এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের নামে প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব ফোর্সেস নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব ১১ এর অভিযানে  ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখ,  বৃহস্পতিবার  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে ভূয়া প্রশ্নপত্র প্রদান ও রেজাল্ট পরিবর্তনের নামে প্রতারণা করে অর্থ সংগ্রহের সাথে জড়িত থাকায় নরসিংদী জেলার বেলাবো থানাধীন বিভিন্ন এলাকা হতে ০৫ জন ভূয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস ও রেজাল্ট পরিবর্তনকারীকে হাতে নাতে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা সকলেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৭)। এই সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ০৫টি  স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সকলেই নরসিংদীর বেলাবো থানা এলাকার বিভিন্ন কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্র। তারা চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণা করে টাকা আদায়ের জন্য ‘‘রেজাল্ট পরিবর্তন, ঠ.চ কযধহ, চৎরহপব কযধহ, অশঃবৎ কযধহ, চৎরহপব ঘরষড়ু, গধুধনর চড়ষড়শ, জড়যধহ

ঈযড়ফিযধৎু” নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে। তারা এই সমস্ত আইডিগুলোতে চলমান এসএসসি পরীক্ষার সকল বোর্ডের বিভিন্ন বিভাগের প্রশ্ন প্রদানের বিজ্ঞাপন দিয়ে পোষ্ট দেয়। এতে করে অনেক এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রলুব্ধ হয়ে তাদের সাথে ‘‘গবংংবহমবৎ” এ যোগাযোগ করে প্রশ্ন পাওয়ার আশায় বিকাশে টাকা প্রদান করে। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইলে এ সংক্রান্তে প্রতারণার গুরুত্বপূর্ণ আলামত পাওয়া গেছে।

অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে আরোও জানা যায়, ইতোপূর্বে তারা সকলেই তাদের নিজেদের ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করার আশায় ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র প্রাপ্তির চেষ্টায় লিপ্ত
হয়েছিল। তখন তারা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, বিশেষতঃ বিভিন্ন ফেসবুক আইডি এবং পেইজ এর প্রতি তারা লক্ষ্য রাখতে থাকে। কিন্তু তারা প্রত্যেকেই সেই সময়ে কোনরুপ প্রশ্ন ফাঁস না হওয়ায় প্রশ্ন সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় এবং সকল ক্ষেত্রেই বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হয়।  সেই সময় থেকেই তাদের মাথায় ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা বলে বিভিন্ন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার মতো অপকর্মের চিন্তা জন্ম নেয়। উল্লেখ্য যে, চলমান এসএসসি পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্ন ফাঁসের দায়ে র‌্যাব ফোর্সেস এই পর্যন্ত ৩৫ (পয়ত্রিশ) জনকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে, যার মধ্যে র‌্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ কর্তৃক গ্রেফতারকৃত প্রতারকের সংখ্যা ০৭ (সাত) বলেRAB -11 সুত্রে জানা গেছে।

ক্রাইম ডায়রি//  আইন শৃঙ্খলা///শিক্ষা

Total Page Visits: 55423

ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতঃ ছাত্রী উত্যক্তকারী যুবককে কারাদন্ড

ইমাম বিমান, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি জেলার নলছিটিতে স্কুলছাত্রী উত্যক্তকারী মাসুম হাওলাদার নামে এক বখাটে যুবককে আটক করে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার ৪ ফেব্রুয়ারী বিকেলে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদারের আদালত এ দন্ড দিয়েছেন।
ছাত্রী উত্যক্তকারী যুবক মাসুম হাওলাদার উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নাধীন সইলা বুনিয়া গ্রামের আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে।

এ বিষয় ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানাযায়, স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্যক্ত করে আসছিলো বখাটে মাসুম হাওলাদার নামের ঐ যুবক।

গত রোববার বিকেলে ছাত্রীটির বাড়িতে গেলে তাদের ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে ছাত্রীকে উত্যক্ত করে মাসুম। বখাটে মাসুমের এহোন আচরনে ঐ ছাত্রী ভয় পেয়ে ডাক চিৎকারে শুরু করে। ছাত্রীর ডাক চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসার আগেই বখাটে মাসুম পালিয়ে যায়।উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৪ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার এলাকাবাসী মাসুমকে ধরে থানায় সোপর্দ করে। থানা থেকে বখাটে মাসুমকে পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হাজির করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচলনার মাধ্যমে বখাটে মাসুমকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা//আদালত

Total Page Visits: 55423