• রবিবার ( রাত ১০:০৪ )
    • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং

পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলিঃ উভয় পক্ষের আট সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ

চরম উত্তেজনার মধ্যে ভারত পাক সীমান্তের  পাকিস্তান অংশে  (লাইন অব কন্ট্রোল) গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারতের পাঁচ ও পাকিস্তানের তিন সেনা সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে   নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানে আইএসপিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গাফুরের বরাত দিয়ে  পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন  এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ৭৩তম স্বাধীনতা দিবস। এরই মধ্যে এ হতাহতের খবর এলো।টুইটবার্তায় গাফুর লিখেছেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর ইস্যু আড়াল করতে ভারতীয় বাহিনী উসকানিমূলকভাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে আমাদের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। এতে ভারতের পাঁচ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক। এ ছাড়া একাধিক বাঙ্কার ধ্বংস করে দেয়া হয়েছ।’ এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তে থেমে থেমে গোলাগুলি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের নিহত তিন সেনা সদস্যের পরিচয় প্রকাশ করেছে ডন। তারা হলেন নায়েক তানভির, ল্যান্স নায়েক তৈমুর ও সিপাহি রমজান।
আজ ১৫ আগস্ট ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস। অন্যদিকে সম্প্রতি ভারত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ায় এ দিনটিকে ‘কালো দিন’ হিসেবে পালন করছে পাকিস্তান।

এদিকে স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পাঁচ সেনা সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ভারতকে আরও উস্কিয়ে দিল পাকিস্তান। তাইতো শত্রু দেশ পাকিস্তানকে থামাতে এবার বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

পাকিস্তানকে সতর্ক করে শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র নিয়ে প্রথম ব্যবহার নীতিতে চলে না ভারত। অর্থাৎ, তারা কখনও আগে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করবে না। তবে, পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে এই নীতিরও পরিবর্তন হতে পারে।’

আজ রাজস্থানের পোখরানে সেনা মহড়া অনুষ্ঠানের শেষ দিনে অংশ নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘কাকতালীয়ভাবে আজ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। আর পোখরানের সঙ্গে অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর যে অবদান রয়েছে তার সাক্ষী এই পোখরান।’

পোখরানে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর ছবিতে শ্রদ্ধা জানান রাজনাথ। এই পোখরানেই ১৯৭৪ এবং ১৯৯৮ সালে পরমাণু পরীক্ষা করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক

5620total visits,71visits today

কললিষ্ট ও মেসেজে মিন্নির অপরাধ প্রমানিতঃ যে কোন সময় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

ক্রাইম ডায়রি অনলাইন ডেস্কঃ

বরগুনা ট্রাজেডির খলনায়িকা  মিন্নির সাথে নয়নবন্ডের গভীর সখ্যতা ও কানেকশন ছিল সেটা আগেই অনুমেয় হলেও বিষয়টি এখন প্রমানসাপেক্ষে এতটাই   বাস্তব যে অনেকেই বিশেষ করে যারা মিন্নিকে সেইভ করার চেষ্টা করছিলেন তারাও মুখে কুলুপ এটে দিয়েছেন।।। চলতি সপ্তাহে অথবা আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন রিফাত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবে পুলিশ। এদিকে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে নয়ন বন্ডের সাথে মিন্নির কথোপকথনসহ ম্যাসেজ আদান-প্রদান তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মূলত প্রযুক্তির কারণেই রিফাত হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি হয়েছেন মিন্নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য জানান, নয়ন বন্ডের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নম্বরটি গোপনে ব্যবহার করতেন মিন্নি। নয়ন বন্ডই এই সিমটি মিন্নিকে দিয়েছিলেন। মূলত রিফাত শরীফের সাথে বিয়ের পরও নয়নের সাথে যোগাযোগ রাখাসহ নানা কারণে গোপনীয়তা বজায় রাখতে ওই সিমটি মিন্নি গোপনে ব্যবহার করতেন। এছাড়া আরও কয়েকটি নম্বর দিয়েও নয়নের সাথে কথা বলতেন মিন্নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য বলেন, ‘তদন্তের জন্য মিন্নি ও নয়ন বন্ডের ব্যবহৃত নম্বরের কললিস্ট এবং এসএমএস কনটেন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর এগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা গেছে, রিফাত শরীফ মারা যাওয়ার পর নয়ন বন্ড মিন্নির কাছে একটি এসএমএস পাঠান। বিকেল ৪টার কিছু সময় আগে পাঠানো ওই এসএমএসটিতে লেখা ছিল, ‘আমারে আমার বাপেই জন্ম দেছে।’

প্রকাশ না করার শর্তে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেয়া এক পুলিশ সদস্য বলেন, নয়ন বন্ডের এমন এসএমএস পাঠানোর রহস্য উদঘাটনে রিমান্ডে থাকা অবস্থায় আমরা মিন্নির সঙ্গে কথা বলেছি। তখন মিন্নি এ বিষয়ে আমাদের বলেছেন, রিফাত শরীফকে মারার পরিকল্পনার সময় মিন্নি নয়ন বন্ডকে বলেছিলেন, তুমি যদি রিফাত শরীফকে মারতে পার, তাহলে বুঝবো তোমারে তোমার বাপেই জন্ম দিছে।

মূলত মিন্নির এমন কথার উত্তর দিতেই রিফাতের মৃত্যুর পর নয়ন বন্ড মিন্নিকে ওই এসএমএসটি পাঠান। এ বিষয়টি আদালতে মিন্নি বলবেন বলে পুলিশকে জানালেও আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়ার সময় এই কথা মিন্নি আদালতে বলেননি বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য একজন পরিচয় গোপন রাখার শর্তে    বলেন, হত্যাকাণ্ডের দিন সকাল ৯টা আট মিনিটের সময় এ নম্বর দিয়ে নয়ন বন্ডকে কল দিয়ে ছয় সেকেন্ড কথা বলেন মিন্নি। এরপর আবার সকাল ৯টা ৩৮ মিনিটে নয়ন বন্ডের দেয়া ওই নম্বরটি দিয়েই আবারও নয়ন বন্ডকে কল দেন মিন্নি। এ সময় নয়ন বন্ডের সঙ্গে ৩৫ সেকেন্ড কথা বলেন তিনি। এরপর ৯টা ৫৮ মিনিটের সময় নয়ন বন্ড মিন্নির কাছে থাকা ওই নম্বরটিতে কল দেন। এ সময় মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন হয় ৪০ সেকেন্ড।

এরপর সকাল সোয়া ১০টার দিকে কলেজের সামনেই রিফাত শরীফের ওপর হামলা করে বন্ড বাহিনী। হামলার পর বেলা ১১টা ৩১ মিনিটের সময় নয়ন বন্ড মিন্নিকে একটি এসএমএস পাঠান। এরপর আবার বিকেল ৩টায় মিন্নিকে কল দিয়ে মিন্নির সাথে এক মিনিট ২০ সেকেন্ড কথা বলেন নয়ন বন্ড।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের এক সাক্ষী বলেন, নয়ন বন্ডের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা নম্বরটি একসময় নয়ন বন্ড নিজেও ব্যবহার করতেন। পরে ওই নম্বরটি পরিবর্তন করেন নয়ন বন্ড।

তিনি আরও বলেন, মিন্নি মাদকাসক্ত ছিল। এ কারণেই সে নয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখত। এ সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতো নয়ন বন্ড। রিফাত শরীফের মাধ্যমেই মিন্নির সঙ্গে নয়ন বন্ডের পরিচয় হয়। নয়ন বন্ড ও মিন্নি উভয়ই মাদকসেবী হওয়ায় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা হতে সময় লাগেনি।

এদিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং হাইকোর্টেও মিন্নির জামিন আবেদনের পর শুনানি হয়েছে। কিন্তু কোনো আদালতই জামিন মঞ্জুর করেননি মিন্নির। মিন্নির প্রতিটি জামিন শুনানিতেই বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে উপস্থাপন করেছেন মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন ও ম্যাসেজ আদান-প্রদান-সংক্রান্ত কললিস্ট এবং হত্যাকাণ্ডের সময় সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ।

এছাড়া এ হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজি, তিন নম্বর আসামি রিশান ফরাজি, ছয় নম্বর আসামি রাব্বি আকন এবং ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া মিন্নি নিজেও রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বরগুনার আদালতে মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তাফা কাদের বলেন, গত ৩০ জুলাই বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মিন্নির জামিন শুনানির সময় বাদী এবং রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন এবং ম্যাসেজ আদান-প্রদান-সংক্রান্ত কললিস্ট উপস্থাপন করেছিল এবং আদালত তা আমলেও নিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রেজাউল করিম বলেন, হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চেও বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন ও ম্যাসেজ আদান-প্রদান সংক্রান্ত কললিস্ট উপস্থাপন করেছিল। শুনানির সময় যেসব গ্রাউন্ডে আসামিপক্ষ মিন্নির জামিন মঞ্জুরের জন্য আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন করে সেসব গ্রাউন্ডের বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রমাণপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

তিনি আরও বলেনে, মামলার আলামত হিসেবে নয়ন বন্ডের বাসা থেকে মিন্নির ব্যবহৃত একটি জামা, একটি চিরুনি, খোদাই করে নয়ন ও মিন্নির নাম লেখা একটি শামুক এবং নয়ন বন্ডের রুমের দেয়ালে বাধাই করে টাঙানো মিন্নির একটি ছবি জব্দ করেছে পুলিশ। এছাড়াও অন্যান্য তথ্য উপাত্তসহ আরও অসংখ্য  প্রমাণ রয়েছে যাতে মিন্নির অপরাধ সহজে প্রমানিত হয়।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//আদালত/অপরাধজগত

5620total visits,71visits today

বগুড়ার সীমাবাড়ি ও ভবানীপুর ইউপিতে ভি জি এফের চাল বিতরণ

মোঃ শাহাদাত হোসেন, ভ্রাম্যমাণ   প্রতিনিধিঃ

বগুড়া শেরপুরের সীমাবাড়ি ও ভবানীপুর ইউনিয়নে গরীব ও দুস্হদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরন করা হয়েছে। এ সময় গরীব ও দুস্হদের মাঝে মাথাপিছু ১৫ কেজি করে চাল বিতারন করা হয়েছে।সম্প্রতি ভবানীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব আবুল কালাম আজাদ ও সীমাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু গৌরদাস রায় চৌধুরীর  উদ্যেগে এই ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হয়। ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের   চাল বিতরণের সময় উপস্হিত ছিলেন মোঃ শাহাবুল ইসলাম, উপ- সহকারী প্রকৌশলী, মেম্বার মোঃ শামীম হোসেন,মেম্বার মোঃ মোখলেচুর রহমান, মেম্বার মোঃ সাইফুল ইসলাম, মেম্বার মোঃ রহমান হোসেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সমাজ সেবক মোঃ সুজন আলী, শ্রমিক নেতা মোঃ রুবেল হোসেন, এবং ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম সহ ভবানীপুর ইউনিয়নের স্হানীয় জনগন। সীমাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের    চাল বিতারণের সময় উপস্হিত ছিলেন মোঃ আখতারুজ্জামান শিক্ষা অফিসার, সীমাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ লতিফ হোসেন, ,মেম্বার মোঃ জহুরুল ইসলাম, আঃ রাজ্জাক, , মেম্বার মোঃ রেজাউল করিম ইসলাম, মেম্বার মোঃহোসেন আলী বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃহালিম হোসেন, সমাজ সেবক মোঃ রুবেল হোসেনসহ সীমাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব লিটন কুমার  ও সীমাবাড়ী ইউনিয়নে স্হানীয় জনগন। উপস্হিত জনতার সামনে সঠিক ওজনে মাথাপিছু ১৫ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরন করা হয়। ক্রাইম ডায়রি ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে সীমাবাড়ী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান শ্রী যুক্ত বাবু গৌরদাস রায় চৌধুরী ও ইউনিয়ন প্রতিনিধি সহ সঠিক মাপে ১৫ কেজি চাল বিতারন করছেন। উভয় জায়গাতেই   ক্রাইম ডায়রি ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন সরেজমিনে পরিদর্শন করে চাল বিতরনে জনতার হাস্যোজ্জল মুখ পরিলক্ষিত করেন।

ক্রাইম ডায়রি //জেলা/গ্রাম বাংলা

 

 

5620total visits,71visits today

কানাডায় নিজ পরিবারের সবাইকে খুন করলো বাংলাদেশী বগুড়ার যুবক

ক্রাইম ডায়রি আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ঠান্ডা মাথার খুনি। শব্দটা সবার নিকট পরিচিত।     হ্যা, ঠান্ডা মাথাতেই খুন হলেন বাংলাদেশীী পরিবারের প্রায় সব সদস্য। আর খুনি তাদেরই ছেলে।

কানাডার টরন্টোর মারখাম এলাকায় নিজ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে বাংলাদেশের বগুড়া জেলার  যুবক মিনহাজ জামান (২৩)।মিনহাজ উল্লেখ করেছেন, প্রথমে তিনি তার মাকে হত্যা করেন। পরে নানী, বোন এবং সবশেষে বাবাকে খুন করেন। পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও মারখামে নিহত পরিবারটি যে বাংলাদেশি, তা এখন নিশ্চিত। খুনের দায়ে গ্রেফতার হওয়া মিনহাজ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তো।

কেন সে নিজের মা, বাবা, বোন ও নানীকে হত্যা করলো তা সে কানাডার অনলাইন গেম, চ্যাটিং ও সংবাদ মাধ্যমে নিজেই বর্ণনা করেছে।প্রথম কারণ ছিল অনলাইন গেমের প্রতি তার আসক্তি।এমনকি ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তি হওয়ার পরও সে এই আসক্তি ত্যাগ করতে পারেনি।প্রতিদিন ইউনিভার্সিটিতে যাওয়ার কথা বলে সে যেতো ভার্সিটির নিকটস্থ শপিং মলে অনলাইনে গেম খেলতে।দ্বিতীয় সেমিস্টারের সময় সে নাস্তিকতায় আক্রান্ত হয়।ফলে জীবন ও জগৎ সম্পর্কে হতাশা বাসা বাঁধতে থাকে।এক পর্যায়ে অর্ধেক সাবজেক্টে ফেল করার কারণে সে ভার্সিটি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।এক পর্যায়ে নিজের সম্পর্কে সে খুবই হীনমন্যতায় ভুগতে থাকে।সে নিজেকে নরাধম মনে করে এবং তার মত সন্তানের জন্য পরিবার লজ্জা পাবে এই চিন্তা থেকে পরিবারের সবাইকে হত্যা করে নিজের বাকি জীবন কারাগারে কাটিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

স্থানীয় ভাইস ডট কমে বন্ধুকে লেখা ঘাতক মিনহাজের পোস্ট যা কানাডার গ্লোবাল নিউজে প্রকাশিত হয়ঃ—–

এর আগে, ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সান্তা ক্লারা সিটিতে হাসিব-বিন গোলাম রাব্বি (২২) নামক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক তরুণ গুলি করে তার বাবা গোলাম রাব্বি (৫৯) এবং মা শামিমা রাব্বি (৫৭) কে হত্যা করেন। রাব্বি দোষী সাব্যস্ত হবার পর জেল-জরিমানার অপেক্ষায় রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কারাগারে। রাব্বি দম্পতি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন বগুড়া জেলা থেকে।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক

5620total visits,71visits today

পাস্তুরিত দুধে নিষেধাজ্ঞাঃঃ ইউ এইচটি দুধে নয়ঃ শংকায় বিক্রেতারাঃআট সপ্তাহের জন্য বাঁধা নেই মিল্ক ভিটায়

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

দুধ নিয়ে নিষেধাজ্ঞা হওয়ায় দিশেহারা খুচরা বিক্রির প্রতিষ্ঠানগুলো। সুপারশপ গুলোও সিদ্ধান্ত নিতে পারছেনা তাদের করণীয় সম্পর্কে।  পাস্তুরিত ও ইউ এইচটি দুধ সম্পর্কে কি আদেশ এটা না বুঝতে পারায় এমন জটিলতায় ভূগছেন তারা। তবে আদালতের নির্দেশনা পাস্তুরিত দুধের উপর। প্রাণসহ ১৪ কোম্পানির পাস্তুরিত দুধ উৎপাদন ও বিপণন পাঁচ সপ্তাহের জন্য বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এসব দুধ ক্রয় ও মজুদ করা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।রোববার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন।

বিএসটিআইয়ের লাইসেন্সধারী এই ১৪ কোম্পানির উৎপাদিত দুধে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক ও ধাতব উপাদানের (সিসা) উপস্থিতি থাকায় আদালত এ নিষেধাজ্ঞা দেন।প্রাণসহ ১৪টি প্রতিষ্ঠানই বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নিয়ে পাস্তুরিত দুধ উৎপাদন ও বিক্রি করে আসছিল। হাইকোর্টের এ আদেশের ফলে ৫ সপ্তাহ দেশে বৈধভাবে পাস্তুরিত দুধ বিক্রির কোনো সুযোগ থাকল না।

আদালতে বিএসটিআইয়ের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সরকার এমআর হাসান, রিট আবেদনকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার অনীক আর হক ও তানভীর আহমেদ। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম।

নিষিদ্ধ প্রতিষ্ঠান গুলোর ব্রান্ডগুলো হচ্ছে যথাক্রমে—    ১. প্রাণ ডেইরি লিমিটেডের প্রাণ মিল্ক, ২. আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ফার্মফ্রেশ মিল্ক, ৩. আমেরিকান ডেইরি লিমিটেডের মো, ৪. বাংলাদেশ মিল্ক প্রডিউসারস কো. অপারেটিভ ইউনিয়ন লিমিটেডের মিল্ক ভিটা, ৫. বারো আউলিয়া ডেইরি মিল্ক অ্যান্ড ফুডস লিমিটেডের ডেইরি ফ্রেশ, ৬. ব্র্যাক ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রজেক্টের আড়ং ডেইরি, ৭. ড্যানিশ ডেইরি ফার্ম লিমিটেডের আয়রান, ৮. ইছামতি ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্টের পিউরা, ৯. ইগলু ডেইরি লিমিটেডের ইগলু, ১০. আফতাব মিল্ক অ্যান্ড মিল্ক প্রডাক্ট লিমিটেডের আফতাব, ১১. উত্তরবঙ্গ ডেইরির মিল্ক ফ্রেশ, ১২. শিলাইদহ ডেইরির আল্ট্রা, ১৩. পূর্ব বাংলা ডেইরি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের আরওয়া, ১৪. তানিয়া ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্টসের সেইফ।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, সিসা, ডিটারজেন্ট, ফরমালিন, ব্যাকটেরিয়াসহ ক্ষতিকর উপাদান থাকায় এর বিরুদ্ধে গত বছর আদালত রুল জারি করেন। আমরা আশা করেছিলাম, এই রুল জারির পর দুধ উৎপাদনকারী ও সংশ্লিষ্ট তদারক প্রতিষ্ঠান দুধ পরিশুদ্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।কিন্তু তারা তা করেনি। আদালতের আদেশ দেয়ার প্রয়োজন হল। আইন থাকার পরও ভেজাল দুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আদালত বলেন, আমাদের নির্দেশের পর চারটি ল্যাবে দুধের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এ পরীক্ষায় দুধে অ্যান্টিবায়োটিক (অক্সিটেট্রাসাইক্লিন, টেট্রাসাইক্লিন ও সিপ্রোফ্লক্সাসিন) এবং সিসার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৪ জুলাই বাজারে থাকা বিএসটিআই অনুমোদিত সব কোম্পানির পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

এসব কোম্পানির দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, ডিটারজেন্ট, ফরমালিন, ব্যাকটেরিয়া আছে কি না, তা পরীক্ষা করে চারটি গবেষণাগারকে এক সপ্তাহের মধ্যে আলাদাভাবে প্রতিবেদন দিতে বলেন আদালত।

জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ও সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের গবেষণাগারে বাজারের এসব দুধ স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করতে বলা হয়।

সেই সঙ্গে দুধে অ্যান্টিবায়োটিক বা ডিটারজেন্ট আছে কি না, তা পরীক্ষার সক্ষমতা অর্জন করতে বিএসটিআইয়ের ল্যাবরেটরির কত সময় ও অবকাঠামো প্রয়োজন সে বিষয়ে একটি কর্মপরিকল্পনা আদালতে জমা দিতে বলা হয়। চার ল্যাবরেটরির প্রতিবেদন রোববার আদালতে জমা পড়ে।

এতে দেখা যায়, একটি পরীক্ষায় ১৪ কোম্পানির দুধেই মানবদেহের জন্য অসহনীয় মাত্রার সিসা পাওয়া গেছে। আরেকটি পরীক্ষায় ১৪ কোম্পানির দুধেই পাওয়া গেছে অ্যান্টিবায়োটিক। বিএসটিআইয়ের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, দুধে অ্যান্টিবায়োটিক বা ডিটারজেন্ট আছে কি না, তা তাদের ল্যাবে পরীক্ষার সক্ষমতা অর্জন করতে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত সময় লাগবে।

আদালত রুল জারি করে উৎপাদিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ক্ষতিকর ধাতব উপাদান থাকায় সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর নিষ্ক্রিয়তা এবং মানুষের জীবন রক্ষার অধিকার ক্ষুণ্ণ করা কেন অবৈধ ঘোষণা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। ১৪ ব্র্যান্ডের কোম্পানিসহ ২৩ বিবাদীকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদেশের পর ব্যারিস্টার অনীক আর হক বলেন, ১৪টি ব্র্যান্ডের দুধের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যদিও আমাদের কৃষি খাদ্য, মৎস্য খাদ্য আইনে গবাদি পশু বা যে কোনো পশুর ওপর অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নিষিদ্ধ। কিন্তু তাদের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে।

একই সঙ্গে বিসিএসআইআর ও আণবিক শক্তি কমিশনের ল্যাবের যে রেজাল্ট, সেখানে দুধের মধ্যে হেভি মেটাল, স্পেশালি লেড অর্থাৎ সিসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, এ সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আদালত আজ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি রুল ইস্যু করেছেন। যে দুধে এসব ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে, সেগুলোর উৎপাদন কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং রাইট টু লাইফের পরিপন্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে না এবং স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ রুলের সঙ্গে একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ফলে আগামী পাঁচ সপ্তাহের জন্য এই ১৪টি লাইসেন্সধারী কোম্পানির দুধের প্রডাকশন, বিপণন এবং এর সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ ক্রেতারা যেন না খায়, সে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যেন এগুলো না করে। অর্থাৎ আগামী পাঁচ সপ্তাহ তারা এগুলো উৎপাদন, বিপণন, সেল করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, এর সঙ্গে বিএসটিআইকে বলা হয়েছে তাদের যে মানদণ্ড রয়েছে সেটাকে আপডেট করার ব্যাপারে কী স্টেপ নিয়েছে সেটা জানানোর জন্য। রুলে ১৪ কোম্পানিসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য ২৫ আগস্ট দিন ধার্য রেখেছেন।

আইনজীবী এমআর হাসান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে বিএসটিআই পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষা করে থাকে। তবে দুধে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার থাকতে পারবে না বলে জনস্বার্থে একটি রুল জারি করেছেন আদালত। এখন আমাদের বিএসটিআইয়ের দায়িত্ব হচ্ছে আদালতের রুলের জবাব তৈরি করা এবং দুধের মান বৃদ্ধি করা সম্পর্কে আদালতকে অগ্রগতি জানানো।

তিনি বলেন, কোর্টের আদেশের পর আমরা অবশ্যই বাজার মনিটরিং করব। আদালতের নির্দেশনা রয়েছে, এসব দুধ কোনোভাবেই বাজারজাত না করার। আজ থেকেই আমরা (বিএসটিআই) বাজার মনিটরিং শুরু করব এবং উদ্যোক্তাদেরও তাদের উৎপাদন ৫ সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখার বিষয়ে জানাব।

তবে মিল্কভিটা————

সোমবার (২৯ জুলাই) হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত চেয়ে মিল্ক ভিটা আদালতে আবেদন করে, যা চেম্বার বিচারপতির আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান মিল্ক ভিটার ক্ষেত্রে হাইকোর্টের দেওয়া পাঁচ সপ্তাহের ওই বন্ধের আদেশ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন।

মিল্ক ভিটার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মহিউদ্দিন মো. হানিফ।শুনানি শেষে মহিউদ্দিন মো. হানিফ বলেন, মিল্ক ভিটার ক্ষেত্রে হাইকোর্টের দেওয়া ওই আদেশ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি। ফলে মিল্ক ভিটার দুধ উৎপাদন ও বিপণনে আইনগত বাধা কাটল।

এই বন্ধের বিষয়েও আমরা আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে জানাব। বিএসটিআইয়ের এই আইনজীবী আরও বলেন, কোম্পানিগুলো নিজেদের দায়িত্বে দুধ সরিয়ে নেবে বলে তিনি মনে করেন। কারণ কোর্টের আদেশ হওয়ার পরপরই তা কার্যকর করতে হয়।

এরপরও তারা মার্কেট থেকে দুধ তুলে না নিলে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি। গত বছরের ১৬ মে বাণিজ্যিকভাবে পাস্তুরিত দুধ সম্পর্কে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)-এর একটি গবেষণা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।২৫ জুন বিএসটিআইয়ের আইনজীবী আদালতে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক গত ২৫ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কিছু খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন। বিএসটিআইয়ের আরও কার্যকরীী পদক্ষেপ নেয়া ও পরীক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি   প্রয়োজন বলেও কর্তৃপক্ষ মন্তব্য করেন।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়

5620total visits,71visits today

রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে দুদকের অভিযান

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে         রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালসহ ০২ স্থানে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। দুদক সুত্রে জানা গেছে,,    দুদকের অভিযোগ কেন্দ্রে আগত অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুদক এ সকল   বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণপূর্বক কমিশনকে অবহিত করার জন্য ১১ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে চিঠি প্রদান করেছে। দুদক  সুত্রে জানা গেছে , রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে সেবা প্রদানে হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন- ১০৬) অভিযোগ আসে যে, পঙ্গু  হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্মে রোগীরা অসহায় হয়ে পড়েছেন। এছাড়া হাসপাতালে এক্সরে সহ বিভিন্ন সেবা প্রাপ্তির জন্য রোগীদের নিকট হতে অধিক টাকা আদায় করা হয়। তৎপ্রেক্ষিতে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ জাহিদ কালামের নেতৃত্বে  ১৭/০৭/২০১৯ খ্রি. এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী টিম পরিচয় গোপন করে হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করে এবং বেশ কিছু অনিয়মের সন্ধান পায়। এছাড়া বিভিন্ন সেবা প্রদানে হয়রানি ও অধিক টাকা আদায়ের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। হাসপাতালে বহিরাগত একজনকে কর্মরত অবস্থায় পায় দুদক টিম এবং পরিচালকের নিকট তাকে হস্তান্তর করে। এছাড়াও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মোঃ আব্দুল গনি মোল্লার নিকট হাসপাতালে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, সার্ভিস কাউন্টার বাড়ানো, নিজস্ব ডিসপেনসারি চালুকরণ, হাসপাতালে সীমানা দৃঢ়করণ-সহ নানাবিধ সুপারিশ প্রদান করে দুদক টিম। হাসপাতালের পরিচালক দুদকের এ অভিযানকে স্বাগত জানান। দুদকের এরূপ তৎপরতা অব্যাহত থাকলে হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে সেবার মান নিশ্চিত হবে মর্মে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

ক্রাইম ডায়রি//রাজধানী///ক্রাইম//দুদক বিট

5620total visits,71visits today

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানঃ ১৯ মামলায় ৪২হাজার টাকা জরিমানা ও ৩টি বাস আটক

নোয়াখালী অফিসঃ

সেনবাগের বাস দূর্ঘটনার প্রেক্ষিতে নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১৯ মামলায় ৪২হাজার টাকা জরিমানা ও ৩টি বাস আটক করেছে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। পুরো নোয়াখালী জেলা জুড়ে শুদ্ধিি অভিযানের অংশ হিসেবে, সেনবাগ উপজেলায় বাস দূর্ঘটনার প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের তাৎক্ষণিক নির্দেশে আইন লঙ্গন করে রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনকে মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ অনুযায়ী ১৯ মামলায় ৪২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময়  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন  জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট  রোকনুজ্জামান খান।  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতার জন্য এসময় উপস্থিত ছিলেন,,জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নোয়াখালীর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষানবিশ) হাসনাত জাহান উর্বী ও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান কবির । আদালত পরিচালনায় আরও সহযোগিতা করেন বিআরটিএ সার্কেল, নোয়াখালী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।

আজ বিকাল ৩.৩০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নোয়াখালী জেলা শহরের সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভা গেইট এলাকায় মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর নিয়ম লঙ্গন করায় সুগন্ধা দ্রুতযান, সুগন্ধা কিং, একুশে, হিমাচল, বাঁধন, জননী, আর.পি, বিসমিল্লাহ, লাল-সবুজ পরিবহন, জননী, হলুদ পিকাপ, ট্রাক ও মটর সাইকেল চালককে জরিমানা করা হয়েছে।

জনস্বার্থে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালানার সময় যেসকল নিয়মের লঙ্গন দেখা যায়- লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট, রুট পারমিট, বীমা ব্যতীত গাড়ি চালনা, গাড়ির সাথে সঙ্গতিবিহীনভাবে গাড়িতে পরিবর্তন সাধন, অনুমোদিত ওজন অতিক্রম পূর্বক গাড়ি চালানো, ট্যাক্স টোকেন সংগ্রহ না করা সহ সরকারী আদেশ আদেশের অমান্যকরণ।

একই সময় চেয়ারঘাট টু সোনাপুর ও নোয়াখালী টু ফেনী চলাচলকারী সুবর্ণসুপার, সুবর্ণসুপার সার্ভিস, সুগন্ধা দ্রুতযান নামের তিনটি যানবাহনকে সঠিক কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আটক করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাক্রাইম/আদালত

 

5620total visits,71visits today

বাদী কে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

মোঃ শাহাদত হোসেন ভ্রাম্যমান রির্পোটারঃ

বগুড়া জেলার শেরপুর থানার  ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর আদর্শ গ্রামে রুপালী খাতুন নামের এক মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধারাবাহিক  ধর্ষনের ঘটনায় করা মামলা তুলে নিতে বাদীকে বাধ্য করার অভিযোগ করেছে বাদীপক্ষ। এমতবস্হায়, চরম নিরাপওাহীনতা ও অসহায়ত্ব বোধ করছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।  সোমবার বিকেলে শেরপুর প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন, মামলার বাদী রুপালী খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত তিন বছর আগে তার প্রথম স্বামী সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়। এরপর তিনি ঢাকায় এসে এক গার্মেন্টসে চাকুরী নেন। সেই সময় একই গ্রামে হবিবর রহমানে ছেলে মাহবুবুর তালুকদার তাকে বিয়ে প্রস্তাব দেয় ও  প্রলোভণ দেখিয়ে   প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে। এমনকি বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে চলতি মাসে ১৮ জানুয়ারী রাতে জেলার সোনাতলা উপজেলার হুয়াহুয়া গ্রামে বন্ধুর বাড়ীতে নিয়ে রাতভর ধর্ষন করে  বলে অভিযোগ তার। তাছাড়া একাধিকবার বিভিন্ন স্হানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষন করা হয়। কিন্তুু বিয়ে করতে চাপ দিলে সে  নানান তালবাহানা করতে থাকে।এক পর্যারে আদালতের দ্বারস্হ হন তিনি।

জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে  একটা মামলা দায়ের করেন। যা বর্তমান বিচারধীন রয়েছে। সম্মেলনে ভুক্তভোগী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে মাহবুব ও তার ভাই মাসুদরানা মামলা তুলে নিতে অব্যাহত ভাবে নানান হমকী ধামকি দিচ্ছেন। এই ব্যাপারে বিবাদী মাসুদ রানা মুঠোফোনে  ক্রাইম ডায়রি প্রতিনিধি জানান – তাকে আমরা কেউ হুমকি ধামকি ও প্রাণনাশের হমকি দেইনি। সেই মেয়ে মিথ্যা বানোয়াট কথা বলেছে, সে আদালতে ভুয়া মামলা করেছে  আমার ভাইকে আমরা এক দিনের মধ্যেই বের করে এনেছি। কিছু দালাল ওই মেয়ের পিছে লেগেছে বলে বিবাদীরা জানান।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///আদালত

5620total visits,71visits today

নোয়াখালীর সেনবাগে হাসপাতাল বন্ধ ও জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

সেনবাগ সংবাদদাতাঃ

নোয়াখালীতে কোন অন্যায় ও অবৈধকাজ সংগঠিত হবেনা এমন প্রত্যয়ে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।।    জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে , ৮ জুলাই, ২০১৯ তারিখে গোপন সংবাদের ও ভোক্তাদের অভিযোগের   প্রেক্ষিতে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলা সদরে অবস্থিত ৬ টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে নির্দিষ্ট মান অর্জন না করতে পারা পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছেন  ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মো: রোকনুজ্জামান খান (Ruknuzzaman Khan Rukon।।  এসময়  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় তাকে সহযোগিতা করেন- নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাত, বিএমএ প্রতিনিধি ডা. দ্বীপন চন্দ্র, ড্রাগ সুপার মাসুদৌজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা ও বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন সেন্টারের কার্যালয়ের ম্যানেজার সগির আহমেদ এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন উপ-পরিচালক নরেশের  নেতৃত্বে RAB-১১, লক্ষীপুর।

গোপন সংবাদ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে জনস্বার্থে সারাদিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলোতে মেডিকেল প্রাকটিস ‌‌এবং প্রাইভেট ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরীজ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ বিধি অনুযায়ী তফসিল ক, খ ও গ তে বর্ণিত অবকাঠামো, ৩৬ ধরণের উপকরণ, ডিউটি ডাক্তার, নার্স, জীবন রক্ষাকারী ড্রাগ, ইমার্জেন্সী সেবা, অপারেশন থিয়েটার, অক্সিজেন সিলিন্ডার- এমন হাসপাতাল ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি। এসবের প্রায়গুলো ছিল অপরিস্কার। অপারেশন থিয়েটারগুলোর মূল বেডগুলো পাওয়া যায় জং ধরা ও অর্ধ রং বিহীন, অপারেশন থিয়েটারে যেসব ঔষধ থাকার কথা সেই ধরণের ঔষধগুলো অযাচিতভাবে সংরক্ষণ করা, অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত সিজার ও অপর যন্ত্রপাতিগুলোও ছিল জং ধরা, অপারেশনে ব্যবহৃত কাপড় ও বালিশে লেগে ছিল রক্তের দাগ ও তাজা রক্ত। অভিযানের সময় এসব হাসপাতালের কোন ডিউটি ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সর্বোপরি অধিক মূল্য গ্রহণ করে সেবার নিম্নমান প্রদান করা হচ্ছে। ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী প্যাথলজি ও ফার্মেসীতে আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- কোন লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেখে ডিগ্রীবিহীন টেকনিশিয়ান দ্বারা ল্যাবগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে এবং একই সাথে এসব ল্যাবে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা ব্যবহৃত হচ্ছে না। ল্যাবগুলোতে প্রচুর পরিমাণে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া গিয়েছে যা দিয়ে প্যাথলজীর টেস্ট কর্যক্রম করা হচ্ছিল এবং এগুলো জব্দ করা হয়েছে। এসময় উপজেলার কোন ফার্মেসীতেই ফার্মাসিস্ট পাওয়া যায়নি। ফার্মেসীগুলোতেও বিপুল পরিমান মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া ‍গিয়েছে। এক্স-রে পরীক্ষার অনুমোদনের জন্য পাসহাতালগুলোতে পাওয়া যায়নি আনবিক শক্তি কমিশনের অনুমোদন। ক্লিনিক্যাল বর্জ্র ব্যবস্থাপনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও এসব প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। কোন হাসপাতাল-ক্লিনিক-প্যাথলজিকে বর্জ্র ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৯ধারা অনুযায়ী সেবার মূল্য তালিকা সংরক্ষণের বিষয়ে দেখা যায় প্রায় প্রতিষ্ঠানে যেসব সেবা দেওয়া হচ্ছে তার সকল সেবার নাম ও সেবার মূল্য দেওয়া নেই এবং এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানে সেবার মূল্য তালিকাও দেখা যায়নি।

এসব অপরাধের জন্য দি নিই সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৮০হাজার, এম এ লতিফ ডায়াবেটিকস হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৫হাজার, মায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৬৫হাজার, লাইফ স্কয়ার হসপিটালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুয়ায়ী ৬৫হাজার, নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৩০হাজার, সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৬৫হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয় এবং ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট জরিমানা ৩লক্ষ ১০হাজার টাকা। একই সাথে নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মানে উত্তরণের পূর্ব পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও বেগমগঞ্জ উপজেলার শ্রীকৃষ্ঞ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে অপরিস্কার ও অপরিচ্ছন্নতার এবং মেয়াদ বিহীন পণ্য বিক্রয়ের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৬০হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয়।

সারাদিনব্যাপী (সকাল ১১ট থেকে বিকাল ৪.৩০পর্যন্ত) সেনবাগ ও বেগমগঞ্জ উপজেলায় পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতে হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মিষ্টান্ন ভান্ডার সহ ৭টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট জরিমানা ৩লক্ষ ৭০হাজার টাকা।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আদালত

5620total visits,71visits today

সম্পত্তির দাবীতে পিতাকে মারধরঃ পুলিশে দিলো মেয়ে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সম্পত্তির দাবীতে পিতাকে মারধর করে পুলিশে দিলো মেয়ে। ঘটনার সত্যতা যাচাই বাছাই না করে পিতাকে আটক করে ফতুল্লা থানায় নিয়ে একদিন পর মেয়ের দ্বারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাথীন দক্ষিণ এনায়েতনগর এলাকায়।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, গত ৫ জুলাই শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ একটি অভিযোগের  ভিত্তিতে  সিএনজি করে সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ এনায়েতনগর এলাকায় অসুস্থ রোগী আঃ মালেকের বাড়িতে অর্তকিতভাবে প্রবেশ করে অভিযান চালিয়ে আঃ মালেককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।  আঃ মালেকের বিরুদ্ধে মেয়েকে গরম পানি দিয়ে নারী ও শিশুকে হত্যা চেষ্টা করার অপরাধের অভিযোগ তুলে তার  প্রথম পক্ষের     মেয়েরা তার প্রথম স্ত্রীকে দিয়ে ৬ জুলাই একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলা দায়েরের পর আঃ মালেককে গ্রেফতার দেখিয়ে বিকেলে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেছে বলে জানা যায়। উক্ত ঘটনায় এলাকাবাসী হতভম্ব হয়ে পড়েছে। এরকম কোন ঘটনা আঃ মালেক ও তার দ্বিতীয় পরিবারের কোন সদস্যই ঘটায়নি বলে এলাকাবাসী জানায়।

আরো জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ সম্পত্তি লিখে নেওয়ার জন্য প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগম ও তার সন্তান মো. মাসুম, নাসিমা এবং তাছলিমা অসুস্থ পিতা আঃ মালেক ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগমকে বেশ কয়েকবার মারধর করেছে। সম্প্রতি গত ২১ জুন বিকেলে পাঠানটুলী দক্ষিণ এনায়েনগর এলাকায় মাসুম, নাসিমা ও তাছলিমা সহ রওশন, তানভীর সঙ্গবদ্ধ হয়ে বাড়ীতে হামলা চালিয়ে সুফিয়া বেগমকে পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে এবং ঐ কুসন্তানরা পিতাকেও মারধর করে আহত করে। উপরোক্ত ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২৩ জুন ৫ জনকে আসামী করে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট এবং গুরুতর জখম করা ও ভাংচুর করে ক্ষতিসাধন সহ চুরি করার অপরাধে মামলা দায়ের হয়। উক্ত মামলায় ১নং আসামী মাসুমকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ তল্লা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠালে উক্ত মামলার অন্যান্য আসামীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য বাদী সুফিয়া বেগমকে জীবননাশের হুমকি দিয়ে এক পর্যায়ে ফতুল্লা থানায় গিয়ে মিথ্যা লিখিত অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে  আঃ মালেককে আটক করে একদিন পর মামলা দায়েরের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বলে এলাকাবাসী জানান।

প্রথম স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত মমতাজ বেগমের মামলায় আসামী করা হয়েছে স্বামী আঃ মালেক সহ প্রথম মামলার বাদী দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগম ও সাকিব, দুলাল, অপু এবং মৃদুলকে।

দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগমের মামলায় আসামী হলেন যারা মো. মাসুম, তাছলিমা, নাসিমা, রওশন ও তানভীর। তবে এলাকাবাসীর মধ্যে অনেকেই বলছে দুই স্ত্রীর লড়াই হলেও প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগমকে ২ শতাংশ জমি কিনে বাড়ি করে দিয়েছে। মমতাজের সন্তানরা দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগমই লালন পালন করে বড় করেছে, কিন্তু বর্তমানে প্রথম স্ত্রী মমতাজের প্ররোচনায় পিতার আরো সম্পত্তির দাবীতে পিতাকে সন্তানরা বারংবার মারধর করে আসছে। উভয় মামলায় উভয় পরিবারের সন্তানরা আসামী হয়েছে।

ভূক্তভোগী আঃ মালেক জানায়, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ প্যারালাইসেস রোগী। তার মধ্যে আমার প্রথম ঘরের সন্তানরা সম্পত্তির দাবিতে এবং জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার জন্য আমাকে এবং দ্বিতীয় স্ত্রী সহ সন্তানদের যখন তখন আইসা মারধর করে। আমি ওদেরকে বারবার বলেছি তোরা সম্পত্তির অংশীদার হলে অবশ্যই পাবি। কিন্তু ওরা আমার কোন কথাই শোনেনা। অথচ ওদের জন্য প্রথম স্ত্রীকে ২ শতাংশ জমি কিনে বাড়ি করে দিয়েছি। তার পরেও ওরা আমার উপর এত অত্যাচার করে।
দুই স্ত্রীর ভাই দুলাল বলেন আমার বড় বোনটা খুবই খারাপ ও জঘন্য। সম্পত্তির লোভে মমতাজ আমাদের যে কোন সময় খুন করে ফেলতে পারে। যার প্রমাণ আমার এবং আমার ছোট বোন সহ ভাইগ্না ও ভাগ্নিদের নামে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।

ভূক্তভোগী সুফিয়া বেগম বলেন, মাইর খাইলাম, আবার মিথ্যা মামলাও খাইলাম আর আমি ও আমার স্বামী ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মমতাজ বেগমের ছেলে মেয়ে এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি তারপরেও ন্যায় বিচার পাচ্ছি না।  বর্তমানে আমি ও আমার সন্তানদের নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনযাপন করছি। আমার ভাইকেও ওরা মেরে ফেলতে পারে। শুনছি আরও মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাসিয়ে আমাদের জেল খাটাবে। তাইলে কি দেশে কোন আইন নাই। আমরা ন্যায় বিচার পামু না।

উপরোক্ত ঘটনায় ভূক্তভোগীরা প্রকৃত ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জের সৎ ও  সাহসী পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম/আইন শৃঙ্খলা

5620total visits,71visits today