• বুধবার ( সকাল ৬:৪৬ )
    • ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

পরীক্ষায় প্রক্সি নিয়ে বিপাকে মহিলা সাংসদঃ মিশ্র প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্কঃঃ

গণতন্ত্রের মানসকন্যা,বঙ্গকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্যায়ের সাথে সবসময় আপসহীন। এদেশে না আসলেও তিনি নির্বিঘ্নে দিনাতিোত করতে পারতেন। কিন্তু দেশকে ভালবেসে পিতার রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ সোনার বাংলা গড়ার মানসে তিনি বারবার মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে দেশের মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। তার এ কাজকে কলংকিত করতে একদল মানুষ সবসময় তার কাছে থেকেই দুরভিসন্ধিমূলক কাজ করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর মেয়ে তিনি।।তাই অন্তরে তার চরম মায়া।।বারবার তিনি সবাইকে ক্ষমা করেছেন।কিন্তু যখনই তার পাশে থেকে বঙ্গবন্ধুর সন্তানতুল্য এদেশের মানুষকে জুলুম করা হয়েছে,ঠকানোর চেষ্টা করা হয়েছে ঠিক তখনই তিনি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। সুতরাং,  কেউ পার পাবেনা।।      প্রতারণা তো প্রতারণাই।সে যেই তা করুক।।সে তার শাস্তি পাবেই।।এটাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ।              ঘটনা  ——

উচ্চশিক্ষার সার্টিফিকেট লাভের আশায় প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি তামান্না নুসরাত বুবলী। বিষয়টি সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করে।

এনিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এএফপি, দ্য গার্ডিয়ান, মালয়েশিয়ান সংবাদ মাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইসম, ফ্রান্স২৪ ডট কমের মত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এনিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

নিজে পরীক্ষা না দিয়ে পরপর ৮টি পরীক্ষায় অংশ নেয় তার পক্ষে প্রক্সি পরীক্ষার্থীরা। বিএ পরীক্ষার শেষ পরীক্ষা দিতে গিয়ে হলে হাতেনাতে ধরা পড়েন এশা নামে এক শিক্ষার্থী। এঘটনায় এমপি তামান্না নুসরাত বুবলীকে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ বহিষ্কার করে।

গার্ডিয়ানের শিরোনামে বলা হয়, বাংলাদেশী এমপির পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আটজনকে ভাড়া করার অভিযোগ।

ভেতরে উল্লেখ করা হয়েছে, আওয়ামী লীগের তামান্না নুসরাতের বিরুদ্ধে কমপক্ষে ১৩টি পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদের হয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্যে আটজনকে নিয়োগের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেই এমপিকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের এমপি তামান্না নুসরাত কমপক্ষে ১৩টি পরীক্ষা নিজে না অংশ নিয়ে তার পক্ষে প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে পরীক্ষা দেয়ানো হয়। বেসরকারি নাগরিক টিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর তা ভাইরাল হয়।

তামান্ন নুসরাত গত বছর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বিএ পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।

কলেজের একজন কর্মকর্তা বলেছিলেন, এমপির প্রক্সি প্রার্থীকে সুবিধা দিতে পরীক্ষাকে কেন্দ্রসহ হল পাহারায় থাকতেন এমপির লোকজনসহ ক্যাডার বাহিনী। তাই ভয়ে ছাত্র-শিক্ষক কেউই মুখ খুলতে পারে না।

এছাড়াও আরো বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে এমপি বুবলীকে নিয়ে কাছাকাছি ধরণের সংবাদ প্রকাশ করে।  এ নিয়ে চরম ইমেজ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে  শিক্ষিতমহলে। তবে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করে ক্রাইম ডায়রি। কারন, বিশৃঙ্খল অবস্থার শিকারও তো অনেক সময় হতে হয়।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম

Total Page Visits: 17098

গোপালগঞ্জ বশেমুরবিপ্রবির সাবেক ভিসি খোন্দকার নাসিরউদ্দীনের এ কেমন বন্ধুত্ব!

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জঃ

বন্ধুত্বের অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। প্রকল্পের কাজ শেষ
হওয়ায় বন্ধুকে ডেকে এনে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইভস্টক সাইন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এলভিএম) বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ
দিয়েছেন তিনি। বিষয়টি জানিয়েছেন সাবেক উপাচার্যের বন্ধু শফিকুজ্জামান নিজেই। এমনকি তাকে কোনো সিভিও জমা দিতে হয়নি বলে
জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ তোলা হয়।পরবর্তীতে ব্যাপক অনুসন্ধান করে জানা যায় বাকৃবির সাবেক এই শিক্ষার্থী কেবলমাত্র বন্ধুত্বের কারণেই ২০১৮ সালে নিয়োগ পেয়েছেন। তার ইতোপূর্বে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার অভিজ্ঞতা ছিলোনা। প্রায়
১৮ বছর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকল্পের অধীনে কাজ করেছেন তিনি। প্রকল্পটি শেষ হলে তাকে তার বন্ধু ডেকে এনে এলভিএম বিভাগে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। তবে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের লেকচারার,
সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক বা অধ্যাপক এই চারটি ডেজিগনেশনের যে কোনো একটি ডেজিগনেশন থাকলেও শফিকুজ্জামানের
কোনো ডেজিগনেশন নেই। এমনকি তাকে চেয়ারম্যান হিসেবেও নিয়োগ দেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অমান্য করে। বশেমুরবিপ্রবি আইন ২০০১ এর ২৫নং ধারা অনুযায়ী বিভাগের চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য নূন্যতম সহযোগী
অধ্যাপক হওয়ার প্রয়োজন হয়।
এ বিষয়ে শফিকুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও তার ডেজিগনেশন জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, সাবেক উপাচার্য আমার বন্ধু ছিলেন, তিনি যখন এলভিএম বিভাগ চালু করেন তখন এখানে কোনো শিক্ষক ছিলো না। আর একই সময়ে আমারো প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়। যেহেতু
আমি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চাকরি করেছি তাই আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। চেয়ারম্যান হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, উপাচার্য
আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন তাই আমি দায়িত্ব পালন করছি।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//জেলা//অপরাধ জগত

Total Page Visits: 17098

১৫ হতে ১৭ অক্টোবর সিএনজি-অটোরিক্সা মালিকদের ধর্মঘট আহবান

শাহীন খন্দকারঃ

১৫, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর ২০১৯ইং লাগাতার ৭২ ঘন্টা সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট সফলের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সুুত্রে জানা গেছে, ১০ অক্টোবর ২০১৯ইং বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় ৩৭৮, টঙ্গী ডাইভারশন রোড, মগবাজার, রমনা, ঢাকায় ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ এর আহ্বানে ঢাকার প্রত্যেক থানার সিএনজি অটোরিক্সা মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক আলহাজ মো. বরকত উল্লাহ ভুলু। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব সাখাওয়াত হোসেন দুলাল। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা এটিএম নাজমুল হাসান, আব্দুল মোতালেব, আব্দুল করিম, হাজী মোশাররফ হোসেন, মো. সিদ্দিকুর রহমান, আঃ জাব্বার, মুহঃ শাহ আলম, মামুনুর রশীদ, সোহেল রানা সহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ।

সভায় ঢাকা মহানগরীতে অবৈধ  সিএনজি অটোরিক্সা, মটর সাইকেল চলাচল ও পুলিশী হয়রানি বন্ধসহ মালিক-শ্রমিকের ৯ দফা দাবি আদায়ে আগামী আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর ২০১৯ইং মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার লাগাতার ৭২ ঘন্টা সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট সফল করার লক্ষ্যে আগামী ১৩ অক্টোবর ২০১৯ইং সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মালিক-শ্রমিক মতবিনিময় সভায় সকল মালিক-শ্রমিকদের অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান।

ক্রাইম ডায়রি//রাজধানী
Total Page Visits: 17098

ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশঃ তাই বয়স্ক ভাতা আটকালেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ

ছাতক সংবাদদাতাঃ

ছাতকে এক ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে সরকারী কার্ডধারী ৯ জনের বয়স্ক ভাতা আটকে রেখেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দোলারবাজার ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বয়োবৃদ্ধ ১১ জনের কার্ড সরকারীভাবে ইস্যু করা হয়। তাদের বয়স্ক ভাতার কার্ডের প্রতিটি ছবিতে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারের সীল-সাক্ষরও রয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে তাদের কার্ড ইস্যু করা হলেও তারা এখন পর্যন্ত ভাতা পাননি ।

ভাতা না পেয়ে ভুক্তভোগী এসব বয়োবৃদ্ধ মানুষ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের মঈনপুর কৃষি ব্যাংকের সামনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মৌন প্রতিবাদও জানিয়েছে। ।

গত বৃহস্পতিবার ছিল ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে ভাতা প্রদানের দিন। ঐ দিন কৃষি ব্যাংক মঈনপুর শাখা থেকে কার্ডদারীদের ভাতা প্রদান করা হচ্ছিল।কিন্তু সেই ১১ জন ভাতা নিতে এসে তাদের কার্ড ব্যাংকে জমা দেয়। কিন্তু ভাতা প্রাপ্তীর সেই মাহেন্দ্রক্ষন আর তাদের হয়ে উঠেনি।

একই সাথে ইস্যুকৃত কার্ডধারীদের মধ্যে সুমিনা বেগম ও লাল বিবিকে ভাতা প্রদান করা হলেও বাকী ৯ জন জহুরা বিবি, বই নং-১১০৯৩ ও হিসাব নং-১৪২৩, ইন্তাজ আলী, বই নং-১১০৯৫ ও হিসাব নং-১৪২৫, কমরুন নেছা, বই নং-৬২২৪ ও হিসাব নং-১২৭২, এছন বিবি, বই নং-১১১০৪ ও হিসাব নং-১৪২৮, সবজান বিবি, বই নং-১১০৯৪ ও হিসাব নং- ১৪২৪, জয়ফুল বিবি, বই নং-১১১২২ ও হিসাব নং-১৪২৯, আহমদ আলী, বই নং-১১০৯৯ ও হিসাব নং-১৪২৭, নেকজান বিবি, বই নং-৬২১৮ ও হিসাব নং-১২৭১ ও ফুল তেরা বিবি, বই নং-১১০৯৬ এবং হিসাব নং-১৪২৬কে ভাতা দেয়া হয়নি।

এসময় তারা জানায়, চেয়ারম্যান সায়েস্থা মিয়ার অনৈতিক চাহিদা মিঠাতে না পারায় তাদের ভাতা অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভাতা বঞ্চিতরা।

কৃষি ব্যাংক মঈনপুর শাখার ম্যানেজার ক্ষিতিশ রঞ্জন তালুকদার জানান, তাদের কার্ডে কোন রকম জটিলতা নেই। তাদের ব্যাংক একাউন্টে টাকাও বরাদ্দ রয়েছে। শুধুমাত্র ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্থা মিয়ার নির্দেশে তাদের ভাতা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্থা মিয়া জানান, তার নির্দেশেই এসব কার্ডধারীদের ভাতা আটকে রাখা হয়েছে। এসব কার্ড তার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হয়নি বলে তিনি ভাতা প্রদানের জন্য নিষেধ করেছেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম/জেলা

Total Page Visits: 17098

ফেসবুকে ব্রাহ্মনবাড়িয়ার মাদকসম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগঃঃ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

RJ Rimon///Facebook-পাঠকের লেখাঃ

ফেসবুকে রিকোয়েস্ট করে আমার একটি পোস্টে কমেন্টস করেছেন। সত্যি বাকরুদ্ধ হয়ে যায়।প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।      পাঠকের লেখা সরাসরি তুলে ধরা হলোঃ—

“আপনার কাছে রিকুয়েস্ট একটু নজরধারী দেন স্যার এই বিষয়ে

ব্রাম্মনবাড়িয়ার সদর থানার রামরাইল পশ্চিম পাড়া ৯নং ওয়ার্ড পিতা :মোহাম্মাদ আলী,উনার দুই ছেলে (১) সাইফুল আহমেদ (২) জুনাঈদ মিয়া রমরমা ইয়াবা সহ অস্ত্রব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে এলাকায়, তারা আখাউড়া বর্ডার এর দিক থেকে অস্ত্র নামিয়ে বাড়িতে রেখে বিভিন্ন জায়গার কাস্টমার এর কাছে বিক্রি করে রাত বহর চলে ইয়াবা সেবন! বাঁধা দেওয়ার মত কোন লোক নেই তাদের, প্রশাসন এর তাড়া খেয়ে তাড়া মাঝে মাঝে গাঁ ডাকা দেয় আবার চলে আসে এদের এক একজন এর বিরুদ্ধে মাদক আইনে ১২/১৪ টা মামলা রয়েছে! গতকাল খুব বড় একটা ইয়াবার চালান ডুকছে, সাথে অস্ত্র ও! এগুলা রাখছে তার বাড়ির টিনে সাইডে মাটির নিচে, এই গর্তে তিন হাজার এর উপর ফেনসি, ৫ হাজার পিচ ইয়াবা, এবং 9 mm১৯ টা সহ ভারতীয় চাক্কু ৫০ টা আছে! এই গর্ত টা প্রায় ১০ হাত গহীন এবং তার মা, কিছু দিন আগে তার ভাইকে একটাকে এই ব্যাবসা নিয়ে এলাকার আরেক লোক মেরে ফেলছে এবং ১৫ লহ্ম টাকা দিয়ে আপস করে ফেলছে! প্রশাসন এর জন্য এটা গুড নিউজ হলে আমাদের মত আমজনতা অনেক বিপাহ্মে!”

পোস্টের লেখা যেমনই হোক প্রশাসন বিষয়টি ভেবে দেখবেন এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা

Total Page Visits: 17098

বঙ্গবন্ধু সরকারের নিষিদ্ধ করা মদ, জুয়া, হাউজি পুনরায় চালুঃঢাকা শহরকে লাসভেগাস বানানোর ষড়যন্ত্র

মিয়া মোহাম্মদ হেলাল, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী,ক্রাইম ডায়রির বিশেষ প্রতিনিধিঃ   

  

বঙ্গবন্ধু সরকারের নিষিদ্ধ করা মদ, জুয়া, হাউজি পুনরায় চালু করাই ছিল ঢাকা শহরকে লাসভেগাস শহর বানানোর মুখ্য উদ্দেশ্য

ডঃ আব্দুল মঈন খান বলেছেন ❝আজ থেকে ৪০০ বছর আগে যখন এ শহর প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তখন ঢাকার পরিচয় ছিল মসজিদের শহর হিসেবে। আজকে সেই শহর পরিণত হয়েছে ক্যাসিনোর শহরে।❞ সত্যি কি তাই ? ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহর বানালো কে ? ঢাকা কি আজকে ক্যাসিনোর শহর হয়েছে ? কে এই মঈন খান ?

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় খাদ্য সচিব ছিলেন আব্দুল মোমেন খান। তৎকালীন সময়ে পশ্চিমাদের সাথে ষড়যন্ত্রে যুক্ত হয়ে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টিতে অন্যতম ভুমিকা পালন করেন। সেই দুর্ভিক্ষ সহ নানাবিধ ষড়যন্ত্রের ফলে এক হৃদয় বিদারক হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও তাহার পুরো পরিবারকে নিঃশেষ করে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। যার পুরুস্কার হিসেবে জিয়াউর রহমান বুকে টেনে নিয়ে খাদ্য সচিব আব্দুল মোমেন খানকে নিজ দলে স্থান দেন। সেই দুর্নীতিবাজ ষড়যন্ত্র কারী আব্দুল মোমেন খানের পুত্র হলেন ডঃ আব্দুল মঈন খান।

ডঃ আব্দুল মঈন খান প্রথম দৃশ্যপটে আসেন গতকাল যে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানব বন্ধন করলেন সেই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের এক চাঞ্চল্যকর ও রম্য অনশন কর্মসূচির ঘটনায়। ঢাকাই সিনেমার তৎকালীনহার্টথ্রব নায়িকা অমর চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের শ্যালিকা ফরিদা আখতার পপি ওরফে ববিতাকে বিয়ে করার দাবিতে মঈন খান একদিন অনশন করে বসলেন। অনেক পত্রিকা, বিশেষ করে সেই সময়ের আলোচিত সিনে সাপ্তাহিক চিত্রালী সহ আরও অনেক কাগজে তখন সেই অনশনের ছবি ছাপা হয়। কথিত আছে ববিতাকে না পাবার বেদনা থেকে লম্বা চুল রাখতে শুরু করেন মঈন খান। প্রেমিক মানুষ বলে সুন্দরী নেত্রী দেখে তিনি ও পরে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই মঈন খান আজ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। এবার আসি ক্যাসিনো শহরে

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু সরকার মদ, জুয়া নিষিদ্ধ করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর দৃশ্যপটে আসে খন্দকার মোশতাকের অন্যতম সহযোগী সেনাপ্রধান ও উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক জেনারেল জিয়াউর রহমান। ২৯ শে নভেম্বর ১৯৭৬ সালে এক সামরিক ফরমান বলে বঙ্গবন্ধু সরকারের মদ জুয়ার নিষিদ্ধ আদেশটি বাতিল করে মদের বার, ক্যাসিনো, হাউজিসহ সকল রকমের জুয়া ও পতিতাবৃত্তির লাইসেন্স প্রদান করে উন্মুক্ত করে দিলেন।

জিয়ার রাবার স্টাম্প সংসদে জাসদের শাহজাহান সিরাজ (১৯৭৯ সাল) এই সামরিক ফরমান বাতিলের জন্য প্রস্তাবনা উত্থাপন করলে কুখ্যাত রাজাকার আবদুস সবুর খান সংসদে বলেন ❝আউট অব বন্ডসহ জুয়া- ক্যসিনো নগর সভ্যতার নিয়ামক শক্তি।এগুলো সমাজের সেফটি বাল্ব। জিয়া ঈমানদার সামরিক নেতা। তার উদারতায় আজ আমরা সংসদে আসার সুযোগ পেয়েছি। তার কোনো ফরমান বাতিল করা যাবে না। আমরা সংবিধান সংশোধনীতে তার সকল জারিকৃত ফরমানকে শতভাগ বৈধ করে দিয়েছি।❞ সবুর খানকে সমর্থন করে বক্তব্য রাখেন রাজিয়া ফয়েজ, ইউসুফ, কাজী কাদের সহ মুসলিম লীগের সদস্য এবং পাকিস্তানপন্থী সাংসদেরা।

বিএনপি জামাত জোট সরকার (১৯৯১) ক্ষমতায় আসার পর সাদেক হোসেন খোকার হাত ধরে ব্রাদার্স ইউনিয়নে প্রথম ক্যাসিনো বসানো শুরু হয়। সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার জন্য সে সময় মির্জা আব্বাসও মতিঝিলের আরামবাগ ক্লাব ও ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ক্যাসিনো শুরু করেন। মির্জা আব্বাস আর সাদেক হোসেন খোকার পদাঙ্ক অনুসরণ করে মোসাদ্দেক আলী ফালু মোহামেডান ক্লাব ও রহমতগঞ্জ ক্লাবে ক্যাসিনো শুরু করেছিলেন। ৯১-৯৬ সালে বিএনপির আমলে একমাত্র আবাহনী ক্লাব ছাড়া অন্য সবগুলো ক্লাবেই জুয়া-ক্যাসিনোর বাজার বসানো হয়েছিল।

বিএনপি চলে যাওয়ার পর (১৯৯৬-২০০১) দীর্ঘ একুশ বছর পর ক্ষমতার বাহিরে থাকা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেও প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বসে থাকা অপশক্তি গুলোর সহায়তায় এই ক্লাবগুলোর নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই থাকে।

২০০৬ সালে ১/১১ সরকার আসলে বিএনপির এই ক্যাসিনো বাণিজ্য লন্ডভন্ড হয়ে যায়। সবগুলো ক্লাবেই তখন জুয়ার আসর বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রথম দুই বছর কোনো ক্যাসিনো ছিল না। সরকার বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা নিষ্পত্তি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গি মোকাবেলা ব্যস্থতার আড়ালে আওয়ামীলীগের একশ্রেণীর দুর্নীতিবাজ নেতাদের হাত ধরে আস্তে আস্তে ধাপে ধাপে দল বদল করে ক্যাসিনো গুলো আবার চালু করা হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যখন সাড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে, বোয়াল গুলো যখন ধরা পড়তেছে তখন বঙ্গবন্ধুর নিষিদ্ধ করা মদ, জুয়া, হাউজি যে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বিসমিল্লাহ বলে আইন দ্বারা উম্মুক্ত করেন, যে দলের সভানেত্রী বেগম জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে কারাগারে, যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এতিমের টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং দায়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান, সেই দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আসিকানে ববিতা পাগলা এটা নিয়ে রাজনীতি শুরু করছেন। ওরে পাগলারা, রাজনীতি সব জায়গায় চলে না। মনে রেখো উনি বঙ্গবন্ধুর মাইয়া। মনসুর রহমানের পুত্র জিয়াউর রহমান কিংবা ইস্কান্দার মজুমদারের মাইয়া বেগম খালেদা জিয়া ওরফে পুতুল রানী নয়।

লেখক—

(লেখক, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী-মুক্তচিন্তার মূর্তপ্রতীক,দেশপ্রেমিক, আওয়ামী অনলাইন এক্টিভিস্ট, বঙ্গবন্ধু ও শেখহাসিনার  সূর্য সৈনিক, আওয়ামীলীগ গবেষক  ।।।)

ক্রাইম ডায়রি///লেখাটি একান্তই লেখকের গবেষণালব্ধ অভিমত ও দায়ভার সম্পূর্ণ লেখকের///স্পেশাল

Total Page Visits: 17098

জাবি ভিসি’র পরিস্থিতি শেষপর্যন্ত কি হতে পারে???আবার ঘটনা কি আসলেও বাস্তব???

বিশেষ প্রতিনিধিঃঃ

খুব সহজেই  দেশের একটি অতি পুরাতন, ঐতিহ্যবাহী ও সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে এখন নিজের অপরাধ ঢাকতে ব্যর্থ হলেন জাবি ভিসি।। কাউকে সেঁধে টাকা দিতে চাইলে সে নিতে চাইবে এমন ঘটনা বিরল। তাও আবার, তারা যদি হয় একদল বেকার যুবক//ছাত্র।    ঘটনা এমনটা প্রমান করেনি যে চাঁদা চেয়েছে ভিসি দিতে বাধ্য হয়েছেন। সেমনটি ঘটলে তিনি প্রশাসন//শিক্ষা বিভাগ//প্রধানমন্ত্রী বরাবর খুবসহজে অভিযোগ করার  ক্ষমতা রাখেন। তিনি কেন টাকা দিলেন, এত টাকা কোথায় পেলেন,অনৈতিক শিক্ষা তার ছাত্রদের কেন দিলেন, কোটি টাকা দিলেন তবে কত কোটি নিজে খেলেন বিষয়গুলির উত্তর স্পষ্ট। এহেন পরিস্থিতিতে দ্রুত সাধারণ মানুষের পুরো নখদর্পনে বিস্তারিত ঘটনা।।।

আবার সন্দেহেও করছেন অভিজ্ঞজন এবং অপরাধ গবেষকরা। সুতরাং, পরিস্থিতি কেমন যেন এলোমেলো।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার ছিনতাই থেকে শুরু করে সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনের মধ্যে হওয়া ফোন রেকর্ড ফাঁস পরবর্তী প্রতি মুহূর্তে রঙ বদলাচ্ছে ক্যাম্পাস পরিস্থিতি।

গত ৯ আগস্ট ভিসির বাসভবনে শাখা ছাত্রলীগকে ‘ঈদ সালামি’ হিসেবে এক কোটি টাকা দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই থেকে আন্দোলন শুরু। ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ফাঁস হওয়া কল রেকর্ডে উঠে আসে টাকা দেয়ার ‘সত্যতা’।

শাখা ছাত্রলীগের অনেকের অস্বীকৃতিও কেমন যেন।।যেখানে তার কেন্দ্রীয় নেতাদেরকে অভিযুক্ত করেছেন ভিসি।।।

ছাত্রলীগের তিন অংশের একটি অংশ এখন প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন টাকা নেয়ার কথা। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বিষয়টি অস্বীকার করে চলছেন। প্রশাসন ও ভিসিপন্থী শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কল রেকর্ডকে বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে একটি গোপন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রয়োজনে তদন্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। সেখানে দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানা গেছে।

তদন্তে ভিসির দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এদিকে ফাঁস হওয়া কল রেকর্ড সম্পর্কে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘৯ আগস্ট ভিসির বাসায় অনুষ্ঠিত সভায় আমিসহ চারজন উপস্থিত ছিলাম। আমি তো সব বলেছি, কাকে কত টাকা দেয়া হয়েছে। তারপরও সন্দেহ থাকলে টাকা দেয়ার আগে ও পরের দিন পর্যন্ত ভিসির ছেলে প্রতীক তাজদীক হুসাইনের ফোন কল চেক করলেই সব বেরিয়ে আসবে। সেখানেই দেখা যাবে কে সত্য আর কে মিথ্যা।’

‘সিডিউল ছিনতাই থেকে শুরু করে সবখানে ভিসির ছেলে ও স্বামী সরাসরি জড়িত। এর বাইরে ভিসির ব্যক্তিগত সচিব ছানোয়ার হোসেন ও প্রকল্প পরিচালক নাছির উদ্দিন জড়িত,’ যোগ করেন তিনি।

ছেলে প্রতীকের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস আছে জানিয়ে ভিসি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘আমি জানি আমার ছেলে সম্পর্কে। আমাকে পাশ কাটিয়ে সে টাকা লেনদেন করবে এটা আমি বিশ্বাস করি না।’

তার পরিবারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতেই এসব বলা হচ্ছে অভিযোগ করে ভিসি ড. ফারজানা বলেন, ‘আমি তো তদন্ত করতে বলেছি। তদন্ত হোক, সেখানেই সব প্রমাণ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতীক ছাত্রলীগ নেতাদের পরামর্শ দিয়ে থাকে। সে হয়তো প্রকল্প নিয়ে তাদের সাথে কথা বলেছে। কিন্তু সেখানে টাকা লেনদেনের কোনো বিষয় ছিল বলে আমি বিশ্বাস করি না।’

এদিকে ‘সভাপতি গ্রুপ অডিও ফাঁসের সাথে জড়িতদের ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে’ এমন খবরে সোমবার সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে শাখা ছাত্রলীগের একটি পক্ষ নিজেদের অবস্থান জানান দিতে দিনব্যাপী ক্যাম্পাসে শোডাউন দিয়েছে।

অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়া ওই কল রেকর্ডটি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হামজা রহমান অন্তরের মুঠোফোন থেকে করা হয় এবং অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান ফোন করে তাকে ‘হুমকি’ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন অন্তর।

তিনি দাবি করেন, শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অনেকেই এ টাকার ভাগ পেয়েছেন। যেহেতু ছাত্রলীগ টাকা নিয়েছে তাই বিষয়টি জানানো দায়িত্ব বলে মনে করেছেন তিনি। বর্তমানে অন্তর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছেন।

তবে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা এটিকে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ অভিহিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় একটি চক্র এমনটি করছেন। দ্রুতই ছাত্রলীগের হাইকমান্ডের কাছে ওইসব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করে সুপারিশ করা হবে।

আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ- উল- হাসান মনে করেন, ফোনালাপটি পরিকল্পিত ভাবে তৈরি করা।

সত্য মিথ্যার দোলাচলে——- 
এক হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে এক কোটি এবং শাখা ছাত্রলীগকে এক কোটি টাকা দেয়ার অভিযোগ উঠার পরই জাবি ভিসি ও তার পন্থী শিক্ষকরা তা অস্বীকার করেন।

ভিসিপন্থী শিক্ষকরা সংবাদ সম্মেলন করে ভিসি অধ্যপক ড. ফারজানা ইসলামকে সৎ এবং আন্দোলনকারীদের দাবিকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন। এমনকি তারা ভিসির পক্ষে মানববন্ধনও করেন।

এতে আরও একটি প্রশ্ন অনেকের মনে ঘুরপাক  খাচ্ছে যেনভিসির পক্ষাবলম্বনকারীরা হাজার কোটি টাকার কোন অংশের হজমকারী কিনা??? তবে তা প্রমানিত হবে ভিসির অপরাধ প্রমানিত হলে।।।

এদিকে ভিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির আন্দোলন জোরদার হলে ছাত্রলীগের সাথে বৈঠকের কথা স্বীকার করলেও টাকা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়।

আবার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে উন্নয়ন প্রকল্প থেকে কেন্দ্র্রীয় ছাত্রলীগ চার থেকে ছয় শতাংশ চাঁদা দাবি করেছে এবং চাঁদা না দেয়ায় খারাপ আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেন ভিসি। যার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতৃত্ব রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে সরে যেতে হয়।

তার আগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে একটি খোলা চিঠি দেন। যেখানে তিনি দাবি করেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নয়, শাখা ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিয়েছেন জাবি ভিসি।’

রাব্বানীর এ বক্তব্যে তোলপাড় সৃষ্টি হলে ভিসি শোভন-রাব্বানীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তাদের বক্ত্যের প্রমাণ দেয়ার কথা বলেন।

ওই দিনই ভিসি বলেন, শোভন-রাব্বানীর সাথে তার সৌজন্য সাক্ষাত হয়েছে। টাকার বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ‘কোনো টাকা লেনদেন হয়নি’ দাবি করে রাব্বানীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ করেন। এর মধ্যেই ছাত্রলীগের একটি অংশ প্রকাশ্যে টাকা নিয়েছেন বলে ঘোষণা দিচ্ছে।

ভিসির পারিবারিক বিলাসিতা!
ভিসি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের পারিবারিক বিলাসিতার অভিযোগ শুরু থেকেই আছে। তার জন্য একটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি বর্তমানে তার পরিবারের জন্য আরো অতিরিক্ত দুটি গাড়ি ব্যবহার করছেন। এসব গাড়ির তেল খরচ বিশ্ববিদ্যালয়কেই বহন করতে হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে ২০১৭ সালে ভিসির স্বামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি নিয়ে নেত্রকোনায় দুর্ঘটনার শিকার হলে সেই গাড়ি মেরামত বাবদ পরিবহন অফিসকে দেড় লাখ টাকা খরচ করতে হয়। এছাড়া নতুন যুক্ত হওয়া দুটি অ্যাম্বুলেন্স ভিসি ছাত্রদের না দিয়ে নিজের কাছে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ তিনটি অ্যাম্বুলেন্সের একটি সবসময় নষ্ট থাকে। ফলে দুটি দিয়ে চাপ সামাল দেয়া বেশ কষ্টসাধ্য। কিন্তু ভিসির বাসায় থাকা দুটি অ্যাম্বুলেন্স সবসময় বসে থাকে, জরুরি প্রয়োজনেও তা পাওয়া যায় না। তবে একটি অ্যাম্বুলেন্স শিক্ষকরা ভিসির অনুমতিক্রমে ব্যবহার করতে পারেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে ভিসির বাসভবনের সামনের মাঠ তার ছেলে প্রতীক হোসেন নিজের দখলে রেখেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ওই মাঠে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারেন না। তবে তার ছেলে ওই মাঠে নিয়মিতই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকেন বলে জানা গেছে।

সাধারণত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিদের স্ত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা ক্লাবের সভাপতি হয়ে থাকেন। কিন্তু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মহিলা হওয়ায় তার স্বামী আখতার হোসেনকে মহিলা ক্লাবের সভাপতি বানিয়েছেন। বিষয়টিকে অস্বস্তিকর বলে মনে করেন শিক্ষকরা। তাদের মতে প্রো-ভিসির স্ত্রীরা মহিলা ক্লাবের সভাপতি হতে পারতেন। ভিসি তার স্বামীকে সভাপতি করে তার অনৈতিক মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। লেডিস ক্লাবের সভাপতি একজন পুরুষ মানুষ কেমন যেন??   সবকিছু মিলিয়ে জাবি ভিসির অপরাধ মানসিকতার প্রাথমিক ধারণা কিছুটা স্পষ্ট হয়।। সুতরাং, আপোষহীন নেত্রী, বঙ্গকন্যা, প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে যেহেতু দেশ  দ্রোহী-  অপরাধী বাঁচতে পারেনা।  সুতরাং,  জাবি ভিসিরও ক্ষমা হবেনা যদি অপরাধ প্রমানিত হয়।।।

পাবলিক মন্তব্য আবার এমন—-

(“তাহারা যে একেকজন ২৫ লাখ, ৫০ লাখ কইরা পাইলেন বলিয়া ক্যামেরার সামনে ছবক দিলেন , তা টাকাটা কোথায় রাখলেন কেউ জানতে চাইবেন না?

এতোগুলা টাকা এই কয়দিনে তো পানি দিয়া চাবাইয়া খাইয়া শেষ করাও সম্ভব না৷ বালিশ বা আলমিরা বা তোষকের ভিতর রাইখা দেওয়ারও কথা না। নিশ্চয় কোন ব্যাংকেই রাখার কথা।

তো টাকা গুলো যেখানেই রাখুক উদ্ধার করা কি খুব বেশী সময় সাপেক্ষ! মোটেই জটিল বা সময় সাপেক্ষ নয়। কারন তাহারা নিজেরাই ক্যামেরার সামনে স্ব প্রনোদিত হয়ে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। লোকুচুরি করারও কোন সুযোগ নেই।

টাকা গুলো উদ্ধার হলে ক্লিয়ার হয়ে যাবে আসলে দু পক্ষই সমান অপরাধী কিনা।

আর উদ্ধার না হলে বুঝা যাবে এটা একটা কল্পিত গল্প এবং নিছক ব্লেইম গেইম মাত্র।

আপাতঃ দৃষ্টিতে অডিও ক্লিপটি আমার কাছে রহস্যজনক বলেই মনে হচ্ছে।

কথা কি কিলিয়ার না বেজাল আছে!”)

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//অপরাধজগত//সূত্র :// ইউএনবি//নয়াদিগন্ত//ফেসবুক ও অনলাইনমাধ্যম//সরেজমিন ও বিশ্লেষণ

Total Page Visits: 17098

ঝালকাঠিতে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে হামলায় আহত গৃহবধুর থানায় অভিযোগ দায়ের

ইমাম বিমান,ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠিতে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে হামলায় আহত গৃহবধুর থানায় অভিযোগ দায়ের করার ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, পৌরসভাধীন ১নং ওয়ার্ডস্থ বিকনা এলাকার মৃত আবুল বাসার মুন্সীর ছেলে কাজল মুন্সী ও তার ছেলে আল আমিন মুন্সী একই এলাকার সুমন হাওলাদারের সাথে আটোরিক্সা বিক্রির টাকা পাবে বলে দাবী করে। সুমন এ বিষয় কিসের টাকা পাবেন বললে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ড শুরু হয়। পরে গত গত ১২ সেপ্টেম্বর কাজল মুন্সী ও তার ছেলে আল আমিন মুন্সী সুমনদের বাড়ীতে যায় এ সময় কাজল মুন্সী সুমনকে ডেকে তার স্ত্রী রেবা বেগমের কাছে ৫হাজার টাকা পাবে বলে জানায়। এ সময় সুমন তার স্ত্রী রেবা ডেকে কাজল মুন্সী কোন টাকা পাবে কিনা জিজ্ঞাসা করলে রেবা জানায় তার কাছে কাজল মুন্সী কোন টাকা পাবে না। রেবা টাকা না পাওয়ার কথা জানালে তাদের উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডের সৃষ্টি হয়। বাক বিতন্ডের একপর্যায় কাজল মুন্সীর ছেলে আলামিন এসে সুমনের সামনেই তার স্ত্রী রেবার উপর অতর্কিত হামলা চালালে ঘটনা স্থলেই রেবা আহত হয়। রেবার মুখমন্ডলে আঘাতের কারনে রক্ত যখম শুরু হলে রেবার স্বামী সুমন সহ স্থানীয়দের সহযোগীতায় রেবাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতলে ভর্তি করে। বর্তমানে রেবা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

এ বিষয় আহত রেবা বেগমের স্বামী সুমন জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর কাজল মুস্নী ও তার ছেলে আলামিন আমাদের বাড়ীতে এসে ৫ হাজার টাকা পাবে বলে দাবী করে এ সময় আমার স্ত্রী কাজল মুন্সীকে বলে আপনি কোন টাকা পাবেন না বললে তার ছেলে উত্তেজিত হয়ে আমার সামনে আমার স্ত্রী রেবার উপর ঝাপিয়ে পরে তাকে কিল ঘুশি ও লাথি মারতে থাকলে আমার স্ত্রী মাটিতে পড়ে যায়। পরে তাকে উঠাতে গেলে দেখি তার নাক মুখ দিয়ে রক্ত পরতে থাকে। আমি স্থানীয়দের সহযোগীতায় আমার স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে যাই। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার স্ত্রী রেবা বাদী হয়ে কাজল মুন্সী ও তার ছেলে আলামিনের বিরুদ্ধে ১৪ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠি সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা

Total Page Visits: 17098

ফেনীতে পুলিশ সুপারকে বহনকারী গাড়ি উল্টে দেহরক্ষী আজহার নিহত

সাবিলা নুর আরোহী,ফেনী হতেঃ

ফেনী জেলার পুলিশ সুপারকে বহনকারী গাড়ি উল্টে পুলিশ সুপারের দেহরক্ষী আজহার নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে , ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে গাড়ি উল্টে এই ঘটনা ঘটেছে।  এছাড়াও পুলিশ সুপার খন্দকার নুরুন্নবীসহ তিন জন আহত হন। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর,২০১৯ইং) রাত প্রায় ৯ টার দিকে সদর উপজেলার বোগদাদিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে শহরে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আজহারুল ইসলামের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়। আহত অপর দুইজন হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান ও পুলিশ সুপারের গাড়ির চালক মং সাঁই চাকমা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার রাতে বোগদাদিয়া থানা পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে জেলা পুলিশ সুপার মো: নুরুন্নবীকে বহনকারী গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান, গাড়িচালক মং সাই ও পুলিশ সুপারের দেহরক্ষী আজহার গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজহারকে মৃত ঘোষণা করেন। সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে সদর উপজেলার বোগদাদিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে শহরে ফেরার পথে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের বাইরে গিয়ে একটি বৈদ্যুতিক পিলারে গিয়ে ধাক্কা লাগে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সেখানে গিয়ে আহত অবস্থায় ফেনীর পুলিশ সুপার খোন্দকার নূরুন্নবী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানসহ গাড়ির চালক ও পুলিশ সুপারের দেহরক্ষীকে উদ্ধার করে ফেনীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেহরক্ষী আজহারুল ইসলাম মারা যান।  এতে ফেনী জেলা পুলিশমহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। তবে পুলিশ সুপারসহ আহতরা শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। নিহত পুলিশের আত্নার মাগফেরাত কামনা করেছেন সারা দেশের পুলিশ সমাজ।।।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা//পথে

Total Page Visits: 17098